সুভাষ চন্দ্র দাশ, বাসন্তী : এসআইআর শুনানি পর্ব চলছে।গত সোম ও মঙ্গলবার শুনানি নিয়ে ব্যাপক গোলমাল শুরু হয় বাসন্তী ব্লকের ভাঙনখালি ও সোনাখালিতে। রাস্তা অবরোধ করেটায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সামিল হয়েছিলেন কয়েক হাজার মানুষ। বিক্ষোভের পাশাপাশি শুনানি কেন্দ্রে ভাঙচুর ও চালানো হয় বলে অভিযোগ।যদিও পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে বিক্ষোভ অবস্থান উঠে যায়। বিক্ষুব্দ্ধদের দাবী ছিল তাঁদের কে জোর করে হয়রানি করছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ও কেন্দ্রের নির্বাচন কমিশন।শুনানি কেন্দ্রে কোন রিসিভ কপি দেওয়া হচ্ছে না। দীর্ঘক্ষণ লাইনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।এমত অবস্থায় শুনানি পর্ব চলছে বাসন্তী ব্লকে। বুধবার সকালে থেকে বাসন্তীর কলতলির নারায়ণতলা রামকৃষ্ণ উচ্চমাধ্যমিক বি
দ্যামন্দির কেন্দ্রে শুনানি পর্ব শুরু হয়। বিগত দুদিনের উত্তপ্ত হওয়ার কথা মাথায় রেখে পুলিশ প্রশাসন যথেষ্ট সচেতন।ক্যানিং মহকুমা পুলিশ আধিকারীক রাম কুমার মন্ডলের নেতৃত্বে পুলিশি নিরাপত্তা ছিল জোরদার।এসআইআর এ শুনানির জন্য ডাকা হয়েছিল জেলা সভাধিপতি নিলীমা মিস্ত্রী বিশাল কে। তিনি এদিন যথা সময়ে শুনানি কেন্দ্রে খোশ মেজাজে পৌঁছে গিয়েছিলেন।বয়সের সমস্যা জনিত কারণে তাঁকে ডাকা হয়েছিল। সেখানে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে জেলা সভাধিপতি বিএলও কে নথিপত্র জমা দেন।
শুনানি পর্ব শেষে জেলা সভাধিপতি জানিয়েছেন, ‘বয়স জনিত কারণে শুনানিতে ডাকা হয়েছিল। উপযুক্ত প্রমাণ নিয়ে নির্দিষ্ট সময়ে হাজীর হয়ে নথিপত্র জমা দিয়েছি। তবে সাধারণ মানুষকে হেনস্থা করা হচ্ছে। কারণ সাধারণ মানুষ ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি তৈরী করেছেন।সেই সমস্ত জনপ্রতিনিধিরা এবার ঠিক করছেন কে নাগরিক,আর কে নাগরিক নয়। এটা চরমতম লজ্জার বিষয়। কেন্দ্রে বিজেপি সরকার ও নির্বাচন কমিশন চক্রান্ত করে মানুষকে শুনানি কেন্দ্রে ডেকে হয়রানি করছে। মানুষ ক্ষিপ্ত। ২০২৬ এর নির্বাচনে বাংলা থেকে বিজেপিকে বিসর্জন দেবে।’



