সুভাষ চন্দ্র দাশ,ক্যানিং – বাজি তৈরীর সময় বিস্ফোরণ ঘটলো কারখানায়। আর সেই ঘটনায় আহত হলেন চারজন শ্রমিক। চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদেরকে বারুইপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানেই তাদের চিকিৎসা চলছে। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর থানার চম্পাহাটির হাড়াল এলাকায়। স্থানীয় পুলিশ সূত্রে খবর শনিবার দুপুর নাগাদ হঠাৎই বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে চারিদিক। ছোট ছুটি শুরু হয়ে যায় কারখানা ওই এলাকা জুড়ে। তারপর দেখা যায় বাগানের মধ্যে থাকা একটি কারখানা থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে। সেখানেই ঘটেছে বিস্ফোরণ। বিস্ফোরণের তীব্রতায় পুরোপুরি কারখানাটি ধূলিসাৎ হয়ে গেছে। দেওয়াল মাটির সাথে মিশে গেছে। আশপাশে এলাকার বেশ কতগুলো বাড়িতেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত দমকলের ইঞ্জিন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আহত চারজন হলেন গৌর গঙ্গোপাধ্যায়, কিষান মন্ডল, রাহুল মন্ডল, অন্য একজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে জানা গেছে কারখানাটির বৈধ লাইসেন্স ছিল। দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকায় বাজি ব্যবসা করে আসছিল এই কারখানার মালিক বিধান নস্কর। তবে এদিন দুপুর নাগাদ এই বিস্ফোরণের ঘটনা পর পুলিশ মনে করছে অদক্ষ হাতে কাজ করার কারণেই এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। শুধু তাই নয় বাজি তৈরীর মসলাতে কোনরকম বিস্ফোরক ছিল কিনা তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন বারুইপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। এলাকাটি ঘিরে রাখা হয়েছে। বেশ কিছু নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ওই বাজি কারখানা ও বিস্ফোরণ ঘটে যাওয়া বাড়ি থেকে। পুলিশের তরফ থেকেও তদন্ত চলছে। বিধান নস্করের কারখানা সঙ্গে সঙ্গে শুভাশিস ও দেবাশীষ মণ্ডল এর কারখানাতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে । শুভাশীস পুলিশকে জানান প্রায় কুড়ি বছর ধরে তাদের এই কারখানা। সরকারি লাইসেস নিয়েই তাদের এই কারখানায় কাজ চলে। তবে কি কারণে এই বিস্ফোরণের ঘটনা তা বলতে পারবো না। পুলিশ সূত্রে খবর, কারখানাটিতে একটি বিয়ে বাড়ির জন্য বাজি তৈরির কাজ চলছিল। চরকা ফাউন্টেন এই জাতীয় বাড়ি তৈরি করা হচ্ছিল। আর সেই ফাউন্টেন থেকেই ঘটেছে এই ঘটনা।



