সুভাষ চন্দ্র দাশ,ক্যানিং : বৃহষ্পতিবার সাত সকালে কলকাতার আইপ্যাক অফিস ও আইপ্যাকের প্রধান প্রতীক জৈন’র লাউডাউন ষ্ট্রিটের বাড়িতে হানা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারি সংস্থা ইডি। এমন হানা দেওয়ায় রাজ্য জুড়ে প্রতিবাদ মিছিলে সামিল হয় রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস।বৃহষ্পতিবার ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক পরেশরাম দাসের নেতৃত্বে এক প্রতিবাদ মিছিল হয়। প্রতিবাদ মিছিলে কয়েক হাজার তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী সমর্থক হাজীর ছিলেন। মিছিল শেষে ক্যানিং বাসষ্ট্যান্ডে এক পথ সভা হয়। পথসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক পরেশরাম দাস বলেন, ‘নির্বাচন আসলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের রাজ্যে আনাগোনা বাড়ে। শুধু আনাগোনা নয়,ইডি সিবিআই কে ব্যবহার করে রাজ্যে অশান্তির পরিবেশ সৃষ্টি করে। বিভাজনের রাজনীতি করে। হিন্দু মুসলিম জাতপাতের মধ্যে কলহ তৈরী করে। সাম্প্রদায়িক অস্থিরতার বাতাবরণ তৈরী করে মানুষের সাথে মানুষের দ্বন্দ্ব তৈরি করে। নির্বাচন আসলেই ইডি,সিবিআই জুজু দেখায়। রাজ্যে হাজীর হয় বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। বাংলাকে ভালোবাসার সৌজন্য তৈরী করে লোক দেখায়। অথচ বাংলা এবং বাঙালি কে পিছন থেকে শেষ করতে বদ্ধ পরিকর বিজেপি। ভীনরাজ্যে বাঙালিদের কে বিতাড়িত করা হয়। আর দিল্লী থেকে বাংলায় বিজেপির পরিযায়ী নেতারা এসে দরদ দেখায়। যারা বাংলা সম্পর্কে কিছুই জানে না। অথচ নির্বাচনের আগে তাদের দরদ উথলে ওঠে।সব সময় বাংলার মনীশীদের কে যারা অপমান করেন, বাংলা ভাষা ও বাঙালি কে ঘৃণার চোখে দেখে, তারা বাংলাকে কতটা স্নেহ ভালোবাসা দিতে পারে, তা রাজ্যের মানুষ বুঝে গিয়েছেন।২০২৬ এ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি চূর্ণবিচূর্ণ হবে বুঝে গিয়েছে। ভয় পেয়ে ইডি সিবিআই কে হাতিয়ার করছে। আমরা পারলে এই মুহূর্তে ক্যানিং পশ্চিম বিধানসভা সহ রাজ্যের সমস্ত এলাকায় বিজেপির পার্টি অফিস ভেঙে ধূলিস্যাত করে দিতে পারি। আমরা হিংসার রাজনীতি করি না। তবে ২০২৬ এ রাজ্য থেকে বিজেপিকে পুরোপুরি সমুদ্রের অতল গহ্বরে পাঠিয়ে দেবেন বাংলার মানুষ।’



