Friday, March 6, 2026
spot_img

ট্রেন ফেল,থানায় গিয়ে কান্না ভেঙে পড়লো দুই ছাত্রী,ত্রাতার ভূমিকায় পুলিশ

সুভাষ চন্দ্র দাশ,ক্যানিং : পুলিশের দ্বারস্থ হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লো দুই ছাত্রী। ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে সমস্যার সমাধান করলো খোদ পুলি প্রশাসন। এমন ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই পুলিশ প্রশাসন কে কুর্ণিশ জানিয়েছেন বিশিষ্টরা। 

রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা বোর্ড (WBBME) আলিম ও ফাজিল পরীক্ষা। বুধবার ছিল ‘হাদিস’। ঘুটিয়ারীশরীফ এর বনমালীপুর ‘আবুজাফরিয়া সিদ্দিকীয়া সিনিয়র মাদ্রাসা’র দুই ছাত্রী রিমি মন্ডল ও রেবেকা সরদারদের পরীক্ষার সীট পড়েছিল বাসন্তী ব্লকের ‘খেড়িয়া সিদ্দিকীয়া সিনিয়র মাদ্রাসা’য়।অন্যান্য দিনের মতো বুধবার সকালে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল ওই দুই ছাত্রী। ঘুটিয়ারীশরীফ ষ্টেশনে এসে জানতে পারে ট্রেন চলে গিয়েছে। একঘন্টা পর ট্রেন রয়েছে। অগত্যা পরীক্ষার নির্ধারিত সময়ে পৌঁছাতে পারবে না বুঝতে পেরে কান্নায় ভেঙে পড়ে ওই দুই ছাত্রী। এরপর কান্নাকাটি করতে করতে সোজা হাজীর হয় ঘুটিয়ারীশরীফ পুলিশ ফাঁড়িতে। সেখানে ওসি তুহিন মন্ডল কে সমস্ত কথা জানিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে দুই ছাত্রী। ওসি তুহিন মন্ডল সমস্ত কিছু বুঝতে পারেন। সময়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছাতে না পারলে ওই দুই ছাত্রীর ভবিষ্যত নষ্ট হতে পারে। তিনি একমুহূর্ত কোন চিন্তা না করেই, একটি অটো রিজার্ভ করেন।নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে মহিলা কনস্টেবল পারভীন লস্কর কে দায়িত্ব দিয়ে ওই দুই ছাত্রীকে অটোতে করে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে দেয় পরীক্ষা শুরুর নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই।নির্ধারিত সময়ের আগে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছালে ওই দুই ছাত্রী হাঁফ ছেড়ে বাঁচে।তাদের মুখ হাসিতে ফুটে ওঠে।  

দুই ছাত্রী পুলিশের প্রশংসা করে জানিয়েছে,‘ট্রেন ফেল করে পুলিশে কাছে গিয়ে আমাদের সমস্যার কথা বলেছিলাম। থানার বড় বাবু আমাদের গাড়িতে করে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে দেয় নির্ধারিত সময়ের অনেক আগে। শুধু পৌঁছে দেওয়া নয়,আমরা বাড়ি থেকে টিফিন আনতে ভুলে গিয়েছিলাম, থানার বড় বাবু টিফিনের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। ’

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

1,231FansLike
10FollowersFollow
4SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

Latest Articles