নিজস্ব প্রতিনিধি : সোনামুখী পৌরসভার অস্থায়ী পৌর মজদুররা গত ছমাস কাজ করেও পাননি প্রাপ্য মজুরী। আবার ঐ পৌরসভার পেনশনাররা পেনশন পাচ্ছেন না গত ১৬ মাস। বাঁকুড়া পৌরসভার অবসরপ্রাপ্তদের বকেয়া গ্র্যাচুয়িটির পরিমাণ ছাড়িয়ে গেছে এক কোটি টাকা । এছাড়াও অস্থায়ীদের দেওয়া হচ্ছে না সরকার নির্ধারিত নুন্যতম মজুরী আর বিষ্ণুপুর পৌরসভার অস্থায়ী মজদুরদের সরকারী হারে মজুরী না দেওয়ার পাশাপাশিই মেলেনি এখনও বিগত কয়েক মাসের মজুরী। অস্থায়ী মজদুরদেরা বঞ্চিত EPF – ESIS’র সুযোগ থেকেও। সমস্ত অস্থায়ী কর্মী ও মজদুরদের স্থায়ীকরণ, সমস্ত শূণ্যপদ পূরণের দাবীও তোলা হলো এই কর্মসূচীতে। পৌর কর্মী ও মজদুরদের জীবন জীবিকার এই গুরুত্বপূর্ণ দাবীগূলি নিয়ে AITUC, CITU ও AICCTU’র ইউনিয়নগুলির ডাকে সমবেত তিনটি পৌরসভার পৌর কর্মী ও মজদুরেরা বাঁকুড়া পৌরসভার প্রধান গেট থেকে এদিন বেলা সাড়ে এগরোটায় বার করেন এক দৃপ্ত মিছিল এবং তা মাচানতলা চত্বর পরিক্রমা করে জেলা শাসকের দপ্তরে দিকে এগিয়ে চললে, কালেক্টরোটের গেটের সামনে মিছিলের পুলিশ গতিরোধ করে। সেখানেই তাঁরা অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন। সেখান থেকে সর্বাণী সিংহ, প্রতীপ মুখার্জী, বাবলু ব্যানার্জী, অশোক ব্যানার্জী, দিলবার খান, কেবল মাহাতো প্রমুখের নেতৃত্বে এক প্রতিনিধিদল জেলা শাসকের অনুপস্থিতে ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকের কাছে “বাঁকুড়া বিষ্ণুপুর সোনামুখী পৌরসভার সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ”র পক্ষ থেকে ৫ দফা দাবী সম্বলিত দাবীসনদ পেশ করেন। এক সৌহার্দপূর্ণ আলোচনায় ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক বিষয়গুলি নিয়ে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাসের মাধ্যমে এই ডেপুটেশন কর্মসূচীর সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়। স্মারকলিপ প্রদানের আগে অংশগ্রহণকারীদের সামনে দাবীপত্রটি পাঠ করে শোনান অশোক ব্যানার্জী এবং ডেপুটেশন চলাকালীন অবস্থানকারীদের সামনে বক্তব্য রাখেন ফারহান খাঁন ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।



