Tuesday, September 8, 2026
spot_img

সুন্দরবনে ম্যানগ্রোভ ধ্বংস করে গড়ে উঠছে কংক্রিটের নির্মাণ!প্রশাসন নির্বাক

সুভাষ চন্দ্র দাশ, সুন্দরবন : বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অরণ্য তথা রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের বাসস্থান সুন্দরবন।যেখানে প্রতিনিয়ত জলে কুমির আর ডাঙায় বাঘের সাথে লড়াই করে বসবাস করেন সুন্দরবনের মানুষজন।সেই সুন্দরবনের গোসাবা ব্লকের কোষ্টাল থানার সাতজেলিয়া পঞ্চায়েতের অন্তর্গত দয়াপুর ফেরিঘাট।পাশেই বয়ে চলেছেন সুন্দরবনের গোমর নদী।নদীর এক তীরে দয়াপুর আর অপর তীরে পাখিরালয়। প্রতিদিনই এই ফেরিঘাট থেকে হাজার হাজার নিত্যযাত্রীরা এক দ্বীপ থেকে অন্য দ্বীপে যাতায়াত করেন। সুন্দরবনের নদীর দুই তীরে রয়েছে ম্যানগ্রোভ অরণ্য। যে ম্যানগ্রোভ সুন্দরবনের অন্যতম রক্ষা কর্তা এবং সুন্দরবনের ৩৫০০ কিমি নদীবাঁধেরও রক্ষা কর্তা।এছাড়াও যে কোন প্রাকৃতিক বিপর্যয় রুখে সুন্দরবন কে বাঁচাতে সাহায্য করে এই ম্যানগ্রোভ। শুধুমাত্র সুন্দরবন নয় প্রায় ৫৫ লক্ষ মানুষের জীবন রক্ষাকর্তা সুন্দরবনের এই ম্যানগ্রোভ অরণ্য। অভিযোগ সেই সুন্দরবনে প্রকাশ্যে দিনের আলোয় ম্যানগ্রোভ ধ্বংস করে ফেরিঘাট সংলগ্ন নদীবক্ষ এলাকায় গড়ে উঠছে কংক্রিটের নির্মাণ!সুন্দরবন কে বাঁচাতে যেখানে তৎপর সরকার,সেখানেই দিনের আলোতে চলছে ম্যানগ্রোভ নিধন করে কংক্রিটের নির্মাণ!অথচ আশ্চর্য্যের বিষয় স্থানীয় প্রশাসন উদাস!

 স্থানীয় বাসিন্দা সুশান্ত সরদার জানিয়েছেন, ‘আমি আন্দামানে রাজমিস্ত্রীর কাজ করি। ২৫ বছর আগে দয়াপুর খেয়াঘাট সংলগ্ন এলাকার নদী গহ্বরে আমার ঘর ছিল। সেটাই সংস্কার করছি।কংক্রিট নির্মাণের জন্য কারোর অনুমতি প্রয়োজন নেই এবং ম্যানগ্রোভ কাটা হয়নি।’

যদিও স্থানীয়দের অভিযোগ নদী গহ্বরে কংক্রিটের নির্মাণ একেবারেই বেআইনি।এমনটাই চলতে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে সুন্দরবনের উপর প্রভাব পড়বে নষ্ট হবে প্রাকৃতিক সম্পদ। সুভাষ চন্দ্র দাশ,সুন্দরবন – বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অরণ্য তথা রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের বাসস্থান সুন্দরবন।যেখানে প্রতিনিয়ত জলে কুমির আর ডাঙায় বাঘের সাথে লড়াই করে বসবাস করেন সুন্দরবনের মানুষজন।সেই সুন্দরবনের গোসাবা ব্লকের কোষ্টাল থানার সাতজেলিয়া পঞ্চায়েতের অন্তর্গত দয়াপুর ফেরিঘাট।পাশেই বয়ে চলেছেন সুন্দরবনের গোমর নদী।নদীর এক তীরে দয়াপুর আর অপর তীরে পাখিরালয়। প্রতিদিনই এই ফেরিঘাট থেকে হাজার হাজার নিত্যযাত্রীরা এক দ্বীপ থেকে অন্য দ্বীপে যাতায়াত করেন। সুন্দরবনের নদীর দুই তীরে রয়েছে ম্যানগ্রোভ অরণ্য। যে ম্যানগ্রোভ সুন্দরবনের অন্যতম রক্ষা কর্তা এবং সুন্দরবনের ৩৫০০ কিমি নদীবাঁধেরও রক্ষা কর্তা।এছাড়াও যে কোন প্রাকৃতিক বিপর্যয় রুখে সুন্দরবন কে বাঁচাতে সাহায্য করে এই ম্যানগ্রোভ। শুধুমাত্র সুন্দরবন নয় প্রায় ৫৫ লক্ষ মানুষের জীবন রক্ষাকর্তা সুন্দরবনের এই ম্যানগ্রোভ অরণ্য। অভিযোগ সেই সুন্দরবনে প্রকাশ্যে দিনের আলোয় ম্যানগ্রোভ ধ্বংস করে ফেরিঘাট সংলগ্ন নদীবক্ষ এলাকায় গড়ে উঠছে কংক্রিটের নির্মাণ!সুন্দরবন কে বাঁচাতে যেখানে তৎপর সরকার,সেখানেই দিনের আলোতে চলছে ম্যানগ্রোভ নিধন করে কংক্রিটের নির্মাণ!অথচ আশ্চর্য্যের বিষয় স্থানীয় প্রশাসন উদাস!

 স্থানীয় বাসিন্দা সুশান্ত সরদার জানিয়েছেন, ‘আমি আন্দামানে রাজমিস্ত্রীর কাজ করি। ২৫ বছর আগে দয়াপুর খেয়াঘাট সংলগ্ন এলাকার নদী গহ্বরে আমার ঘর ছিল। সেটাই সংস্কার করছি।কংক্রিট নির্মাণের জন্য কারোর অনুমতি প্রয়োজন নেই এবং ম্যানগ্রোভ কাটা হয়নি।’

যদিও স্থানীয়দের অভিযোগ নদী গহ্বরে কংক্রিটের নির্মাণ একেবারেই বেআইনি।এমনটাই চলতে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে সুন্দরবনের উপর প্রভাব পড়বে নষ্ট হবে প্রাকৃতিক সম্পদ। 

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

1,231FansLike
10FollowersFollow
4SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

Latest Articles