সুভাষ চন্দ্র দাশ,ক্যানিং : ক্যানিংয়ের দিঘীরপাড় পঞ্চায়েত। পঞ্চায়েতের ১৪৯ নম্বর বুথ।ক্যানিং ষ্টেশন,ক্যানিং মহকুমা হাসপাতাল কিংবা ক্যানিং থানা থেকে প্রায় ঢিল ছোড়া দুরত্বে অবস্থিত। এলাকায় প্রায় কয়েক হাজার মানুষের বসবাস। অভিযোগ দীর্ঘ প্রায় সারা বছর জল যন্ত্রণা ভোগ করতে হয়ে এলাকার বাসিন্দাদের।বিভিন্ন সময়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েও কোন ফলাফল মেলেনি। বর্ষার সময় জল যন্ত্রণা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এলাকার স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রী সহ বাসিন্দারা হাঁটু জল পেরিয়ে যাতায়াত করেন। এছাড়াও রয়েছে মশা,মাছি,কীট পতঙ্গ ও বিষধর সাপের উপদ্রব।রাতের অন্ধকারে যাতায়াত সমস্যা আরো ভয়াবহ হয়ে ওঠে।যত্রতত্র ঢুকে পড়ছে বিষধর কেউটে সাপ। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করতে হয় বাসিন্দাদের।
সুত্রের খবর,যাতায়াতের জন্য কংক্রীট ঢালাই রাস্তা রয়েছে।এলাকায় সরকারি জল নিকাশি খাল থাকলেও তা জবর দখল হয়ে রয়েছে।কচুরি পানায় ভরপুর এলাকা।ফলে প্রায় সারা বছর এলাকায় জল জমে থাকে। দুর্ভোগ পোহাতে হয় এলাকার বাসিন্দাদের।বিগত দিনে ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক এলাকার জল যন্ত্রণা নিয়ে সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দিলেও কোন অঞ্জাত কারণে সে বিষয়ে কাজের কাজ কিছুই হয়নি বলে দাবী এলাকাবাসীদের।
স্থানীয় বাসিন্দা তথা বিজেপি নেতা দিলীপ বৈদ্য জানিয়েছেন,‘বিগত দিনে প্রশাসনের সমস্ত দফতরে জানানো হয়েছিল। সমস্যা সমাধানের জন্য আশ্বাসের পর আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘ কুড়ি বছরের এই সমস্যার সমাধান হয়নি।ঘটনা প্রসঙ্গে সমাধানের জন্য বর্তমানে আমরা পঞ্চায়েত,বিডিও ও সুন্দরবন মন্ত্রীর নজরে এনেছি।যদি সমস্যা সমাধান না হয় তাহলে আমরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নজরে আনতে বাধ্য থাকবো। ’



