Home Uncategorized আবিরে রাঙাল গঙ্গাসাগর: রুদ্রনগরে সম্প্রীতির বসন্ত উৎসবে মাতলেন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা

আবিরে রাঙাল গঙ্গাসাগর: রুদ্রনগরে সম্প্রীতির বসন্ত উৎসবে মাতলেন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা

0

সৌরভ নস্কর গঙ্গাসাগর: ​ফাগুনের আগুনে রঙিন হয়ে উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার গঙ্গাসাগর। মঙ্গলবার সকালে সাগর ব্লকের রুদ্রনগর এলাকায় মহাসমারোহে পালিত হলো দোল বা বসন্ত উৎসব। রুদ্রনগর শিল্পনগরী পরিচালনার উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি এ দিন আক্ষরিক অর্থেই এক মিলন মেলায় পরিণত হয়। উৎসবের মূল কাণ্ডারি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা। ​এদিন উৎসবের শুরুটা হয় অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণভাবে। মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা রুদ্রনগরে অবস্থিত বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মূর্তিতে মাল্যদান করে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন। এরপর তিনি শ্রদ্ধা জানান সাগর পথিক হরিপদ বাগুলীর মূর্তিতেও। কবির চরণে শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমেই এদিনের সাংস্কৃতিক আবহের সূচনা হয়।​মূর্তিতে মাল্যদানের পর দলীয় কর্মী, সমর্থক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে আবির খেলায় মেতে ওঠেন মন্ত্রী। একে অপরকে আবিরে রাঙিয়ে দিয়ে তিনি সমাজে ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির বার্তা দেন। এই আনন্দঘন মুহূর্তে মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন: জেলা পরিষদের সদস্য
​সন্দীপ কুমার পাত্র, শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ ​অমলেন্দু পাল, পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ
​প্রলয় কান্তি দাস, সহ স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক নেতৃত্ব ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।​এদিনের অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল স্থানীয় ছেলে-মেয়েদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ। বসন্তের কালজয়ী গানের ছন্দে হাতে লাঠি নিয়ে ঐতিহ্যবাহী লোকনৃত্যে পা মেলায় ক্ষুদে শিল্পীরা। রুদ্রনগর শিল্পনগরী এলাকা যেন এক টুকরো শান্তিনিকেতনে পরিণত হয়েছিল। লাঠিখেলা এবং লোকজ সংস্কৃতির এই প্রদর্শনী উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে।​উৎসব মানেই তো আনন্দ ভাগ করে নেওয়া। আবির খেলার পাশাপাশি চলে মিষ্টিমুখের পর্ব। মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা নিজেই দলীয় কর্মী ও সাধারণ মানুষকে মিষ্টিমুখ করান। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “দোল মানেই ভেদাভেদ ভুলে একে অপরকে আপন করে নেওয়া। আজ আমরা সবাই রঙের উৎসবের মাধ্যমে সম্প্রীতি রক্ষার সংকল্প নিচ্ছি।” ​সকাল থেকেই রুদ্রনগর এলাকায় ছিল সাজ সাজ রব। সাধারণ মানুষের উপচে পড়া ভিড় আর রঙের খেলা মিলিয়ে শিল্পনগরীর এই বসন্ত উৎসব এক অন্য মাত্রা পায়। মন্ত্রীর এই জনসংযোগ এবং সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন গঙ্গাসাগরের মানুষের কাছে দোলের আনন্দকে দ্বিগুণ করে তুলেছে।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Exit mobile version