Home Uncategorized ইচ্ছাপুরে  বিশ্বকাপ ফুটবলের মহাতারকা মেসির স্বপ্নের বাড়ি

ইচ্ছাপুরে  বিশ্বকাপ ফুটবলের মহাতারকা মেসির স্বপ্নের বাড়ি

0

মলয় সুর: সদ্য বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনায় যখন মেতে উঠেছে গোটা বিশ্ব, তখন নিজের প্রিয় তারকা আর্জেন্টিনার  লিওনেল মেসির প্রতি শ্রদ্ধা ও অফুরন্ত ভালোবাসা জানাতে মেসির উচ্চতা অনুযায়ী ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি প্লাস্টার অফ প্যারিসের মূর্তি বানিয়ে নজর কেড়েছেন। জীবনে আমরা কমবেশি সকলেই কারো না কারো ফ্যান, কিন্তু কেউই হয়তো ইচ্ছাপুর নবাবগঞ্জের শিবশংকর পাত্রর  মতো ফ্যান নয়। তাঁর ডাকনাম শিবেন। পেশায় চা বিক্রেতা। এই মানুষটির জীবন জুড়ে লিওনেল আন্দ্রেস মেসি।  প্রতি বছর মেসির যত বয়স হয় জন্মদিনে তত পাউন্ডের কেক কাটেন।  এবার ৩৯ পাউন্ডের কেক সাথে বিভিন্ন রকমের মাছ, মাংস সহ বাঙালী রান্নার পদ ও ৩৯ রকমের মিষ্টি মেসিকে দেওয়া হয়,। তাঁর এই পাগলামো আজকাল সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।  তাঁর স্ত্রী স্বপ্না পাত্র (সরকার) ২৪ জুন দিনটিতে খুব ভোরবেলা উঠে রান্না করেন তাঁর সাথে জোগান দেন একমাত্র মেয়ে নেহা।  এমনকি নেহার শিশুপুত্রের  নামও দেওয়া হয়েছে  লিও।  তবে পরিবারের সকল সদস্যদের মধ্যে ফুটবল আর মেসি ছড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

তারপর ও আজ অবধি ভালোবাসার মানুষটি এল এম টেন – এর সাথে দেখা হয়নি শিবেনের। যা নিয়ে আক্ষেপ আছে তাঁর মনে।  ২০১১ সালে মেসি প্রথম কলকাতায় এসেছিলেন, সেই সময় তাঁর খেলা দেখতে যুবভারতী স্টেডিয়ামে যান আর সেই ভাবনা থেকেই বাড়ির ভিতর ও বাইরে চিরপরিচিত আর্জেন্টিনার নীল ও সাদা রঙ করেন।  তাই দূর থেকে ফুটবল ভক্তরা আর্জেন্টিনার বাড়ি বলেন। উত্তর চব্বিশ পরগনার ইছাপুর স্টেশন থেকে যে কাউকেই আর্জেন্টিনার বাড়ি যাব বললে সহজেই দেখিয়ে দেবেন। সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপের  ফাইনাল মঞ্চে  স্পেনের কাছে মেসির পরাজয়ে আর্জেন্টিনা যত না বিমর্ষ তার থেকে বোধহয় বেশি ভেঙে পড়েছেন শিবেন। হারা জেতা তো থাকবেই, কিন্তু এইভাবে আত্মসমর্পণ ।    অন্যদিকে, সবচেয়ে আলোচিত   মেসির জন্মদিনে ৮ বছরের খুদে ফুটবলার মানু একটি  আবেগঘন চিঠি লেখেন।

প্রিয় লিও, তুমি আর ফুটবল যেন এক হয়ে যাও, আমি বেশি পছন্দ করি তোমার ব্যক্তিত্ব অসাধারণ।  মেসি ভক্ত মানু আর্জেন্টিনার জুনিয়র দলে খেলে।  ছোট্ট চিঠি রূপকথা সৃষ্টি করেছে।  তাকে যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপে যাওয়ার টিকিট  দেওয়া হয়  এবং তাঁকে বিশেষ উপহার দেওয়া হয়। ।  মেসি এই খুদে ভক্তর সাথে দেখা করেন।  এমনকি কেপ ভার্দে   ম্যাচে টিকিটের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলে।  তারা  সপরিবারে গ্যালারিতে বসে খেলা দেখেছেন।  এরপর আমেরিকার বাসিন্দা একশো বছরের  পাওলিকনা মেসি ভক্ত। তাই ছোটো থেকে বৃদ্ধ সকলেই মেসি ভক্ত।  এল এম টেনকে  বৃদ্ধা বলেন, I Love Messi, Messi will you marry me, Age is just number, তাই মেসি সর্বকালের সেরা।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Exit mobile version