মাধবী মুখার্জি: উত্তম কুমারের জন্ম শতবর্ষ। যদিও উনি আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছেন প্রায় ৪৫ বছর হল কিন্তু এখন তিনি সেই একই ভাবে প্রাসঙ্গিক, তার একটাই কারণ উত্তমের প্রতি ভালোবাসা, তার অভিনয়কে ভালবাসা। তাঁর ব্যক্তিগত গুনও অনেক ছিল, সর্ব মানুষকেই খুবই ভালো বাসতেন, সরকারের যখনই দরকার হয়েছে বন্যার ত্রাণের জন্য তিনি ভিক্ষা পর্জন্ত করেছেন। শিল্পীদের জন্য শিল্পী সংসদ করে গিয়েছেন। তার মাধ্যমে কত শিল্পীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এখন সেটি একই ভাবে চলছে তাঁর দেখান পথে। অভিনেতা হিসেবে যেমন ভাল, মানুষ হিসেবেও তেমনই ভালো ছিলেন। ওনার সাথে অভিনয় করতে কোনো অসুবিধা হত না, আমি উত্তম কুমার আমি এই করবো ওই করবো সেইগুলো ওনার ছিলোনা। ওনার ছবি রিলিজ করলেই হাউস ফুল আর অদ্ভুত ব্যাপার উনি মারা যাওয়ার পরেও এখনও ওনার যে ছবি দেওয়া হয় সেটাই হাউস ফুল, এরম সাধারণত দেখা যায়না।
সত্যজিৎ রায় লিখেছিলেন উত্তমের যখন সট থাকতো না তখন উনি বসে থাকতেন, সেই সময় কারুর সাথে গাল গল্প করা বা ফাজলামি করা এগুল কখনো করেনি ফ্লোরের কাছে বসে ওই চরিত্রটাই শুধু ভেবেছেন আর কিছু ভাবতেন না।
উত্তমবাবুকে এখনো আমার সব সময় মনে পড়ে। এছাড়াও মনে পরে ওনার ডিরেকশনের কথা, বনপলাসীর পদাবলী উনি ডিরেকশন দিয়েছিলেন। উনি যদি ডিরেক্টর হতেন তাহলেও ভিশন ভাল ডিরেক্টর হতে পারতেন।
এখনো মনে পড়ে আমার বিয়েতে উনি এলেন বর কর্তা হয়ে। ওনার সাথে কাজে স্মৃতি গুলো এখনও উজ্জ্বল। তিনি ছিলেন অতি ভদ্রলোক। তিনি ছিলেন উত্তম আর এই প্রজন্মের কাছে এখনো তিনিই উত্তম কুমার।






