Saturday, March 7, 2026
spot_img

হিন্দুরা সচেতন না হলে বাংলা উগ্রবাদীদের দখলে চলে যাবে

বটু কৃষ্ণ হালদার 

বিশ্বের সবথেকে প্রাচীন ধর্মের নাম হলো সনাতন হিন্দু ধর্ম।আবার অন্যদিকে এই বিশ্বের উদাসীন ধর্মের নাম হলো হিন্দু ধর্ম।যার কারণে সমগ্র বিশ্বের বহু জায়গা দিয়ে হিন্দু ধর্ম সম্পূর্ন বিলুপ্ত হয়ে গেছে।তার অন্যতম ।যে সমস্ত হিন্দু আলস্যবশতঃ এবং আরাম করার জন্য ভোট দেননা তাদের জন্য একটা ঐতিহাসিক ঘটনা জেনে রাখা উচিত বলে মনে হয়।বর্তমান পাকিস্তানের শিয়ালকোটে ১৯৪৬ সালের আগে ভারতে ছিল।কিন্তু এখন নেই। ১৯৪৬ সালে হিন্দুবহুল হওয়া সত্ত্বেও সিদ্ধান্ত হয় শিয়ালকোট পাকিস্তানে যাবে।শিয়ালকোট লাহোর থেকে১৩৫  কিমি দূরে।গোপীনাথ বরদলোইএর দাবীতে জনমত সংগ্রহ হয়। জনমত সংগ্রহের দিন ঠিক করা হয়েছিল। মুসলমানরা ভোরবেলায় লাইনে দাঁড়িয়ে যায়। অনেক হিন্দু ভোট দিতে যায় নি। যারা গিয়েছিল তাদের মধ্যে অনেকে ভিড় দেখে ফিরে আসে।

ফলস্বরূপ ৫৫ হাজার ভোটে মুসলমানরা জিতে যায় এবং শিয়ালকোট পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হয়। কারণ, ভোটের দিন একলাখ হিন্দু ঘরে বসে আয়েশ করেছে ভোট দেয় নি।

১৯৪১ সালের  সেন্সাস অনূযায়ী হিন্দুর সংখ্যা ছিলো ২৪১০০০,অথচ সে সময়ে ১ লাখ হিন্দু ভোট দেয় নি, অর্থাৎ ১৪১০০০ ভোট দিয়েছিল।৫৫০০০ হাজার ভোটে হিন্দুরা হেরে যায়। মুসলিম ভোট পড়েছিল ১৯৬০০০। সোজা হিসেব,  হিন্দুরা সবাই ভোট দিলে ৪৫০০০ ভোটে জিতে যেত। শিয়ালকোট হাতছাড়া হত না।

এর ফলস্বরূপ ৪৬ এর ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে’তে হিন্দু মহিলাদের ইজ্জত যায়,পুরুষদের নির্বিচারে হত্যা করা হয়।১৯৫১ সালের সেন্সাসে দেখা যায় ওখানে হিন্দু রয়েছে মাত্র ১০,০০০ হাজার।বর্তমানে মেরেকেটে ৫০০। সেই পাকিস্থানে সংখ্যালঘু হিন্দুদের শুধুমাত্র খরচের খাতা হিসেবে ধরা হয়।বাংলাদেশ পাকিস্তানের দ্বিতীয় রূপ। ভারতবর্ষে বাজেট  যখন পাশ হয় সংখ্যালঘুদের জন্য সংরক্ষণ করার ব্যবস্থা হয় সেখানে পাকিস্তান বাংলাদেশের মতো দেশে বাজেটে সংখ্যালঘুদের জন্য এক টাকাও বরাদ্দ করা হয় না। ওই দুই দেশে নামমাত্র বেঁচে আছে।

হিন্দুরা পেট্রোলের দাম ২০০৪ সালে ৫০ থেকে এখন ২০২৫ সালে ১০০ টাকা হয়ে গেছে সেটা খেয়াল করেছে ঠিক।কিন্তু ১৯৪৭ সালে মুসলিম ৩ কোটি থেকে এখন ২০২৫ সালে ৪০ কোটি ছাড়িয়ে গেছে সেটা খেয়াল করে নি।১৯৪৬ সালে মাত্র ৬ টা মুসলিম দেশ ছিল সেটা ২০২৫ সালে ৫৭ টা গিয়ে পৌঁছেছে সেটা কেউ খেয়াল করে নি।১৯৪৭ সালে ৬ হাজার মসজিদ ছিল ২০২৫ সালে সেই সংখ্যাটা ১১,০০,০০০ তে  পৌঁছেছে।

সর্বধর্ম সমন্বয়ের দেশে সরকারি ভাষাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও যেখানে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাকে সরকারি আওতায় এনে ফেলেছে। এই মাদ্রাসা হল নিরীহ জনগণ মারার মেশিন। এই ভারতবর্ষ সরকার গুরুকুল শিক্ষাব্যবস্থা চালু করতে পারেনি।

  ১৯৪৭ সালে ৩৪,০০০ হাজার গুরুকুল ছিল কিন্তু এখন ২০২৫ সালে মাত্র ৩ টা গুরকুল বেঁচে আছে। এক সময় সমগ্র বিশ্বে যখন শিক্ষা ব্যবস্থা অন্ধকারে ছিল তখন ভারতবর্ষে গুরুকুলের মধ্যে দিয়ে শিক্ষা প্রদান করা হতো।এর মানে গিয়ে দাঁড়ায় মাদ্রাসা নিরীহ জনগণ মারার জন্য বেতন পান আর আমরা অর্থাৎ হিন্দুরা মরার জন্য সরকারকে কর পরিষেবা প্রদান করি।

একসময় পুরো বিশ্বে যখন কোনো শিক্ষা ব্যবস্থা ছিল না তখন গুরুকূলের মাধ্যমে শিক্ষা দেওয়া হতো।আর ১০ টা রাজ্যে হিন্দু সংখ্যালঘু পরিণত হয়েছে সেটা খেয়াল করেনি।পশ্চিমবঙ্গ, কেরালা ও হায়দরাবাদে কিভাবে হিন্দুরা অত্যাচারিত হচ্ছে, মেয়েরা লাভ জিহাদ স্বীকার হচ্ছে, হিন্দুদের ধর্মান্তরিত করা হচ্ছে , মুসলিমরা হিন্দুদের মন্দির ভেঙেছে সেগুলো কেউ খেয়াল করেনি।

পশ্চিমবঙ্গে সব থেকে বেশি হিন্দু মেয়েদের মুসলিম ছেলেরা লাভ জিহাদ করে ধর্মান্তরিত করেছে আর কেরালায় মেয়েদের ধর্মান্তরিত করার পর জঙ্গি সংগঠনে যোগ দিতে বাধ্য করা হচ্ছে।আস্তে আস্তে ভারত ইসলামী করণের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রমাণ স্বরূপ পশ্চিমবাংলার মেয়র প্রকাশ্যে ইসলামের ধর্মান্তরিতকরণের জন্য ডাক দিচ্ছে।ইতিমধ্যেই শরীয়তী আইন চালু হয়ে গেছে। উত্তরবঙ্গে চোপড়া তার জ্বলন্ত উদাহরণ।

১৯৭৭ সালের পরে পশ্চিমবঙ্গ কোনোদিন কেন্দ্র রাজ্যে এক সরকার পায়নি। তার ফল তারা ভোগ করছে আগামীদিনে করবে। ১৯৪৬ সালে অবিভক্ত বঙ্গদেশে প্রাদেশিক নির্বাচনে মুসলমানরা ঢেলে ভোট দিল মুসলিম লীগকে আর বুদ্ধিমান হিন্দু বাঙ্গালী ভোট দিল ধর্ম নিরপেক্ষ কংগ্রেসকে। হিন্দুমহসভা ভোটে হেরে গেলো। কি আনন্দ। বছর ঘুরতে না ঘুরতে পুঁটুলি হাতে বউ বাচ্ছা নিয়ে কোটি কোটি বাঙালি হিন্দু ভিটেমাটি ছেড়ে পালিয়ে এলো এ বঙ্গে। তাও লজ্জা নেই। গর্ব করে বলে আমাগো এত বিঘা জমি ছিল এত বিঘা পুকুর ছিল সব মনে আছে। মনে নেই কেবল কারা লাথি মেরে তাড়িয়ে ছিল। প্রশান্ত সুর, প্রমোদ দাশগুপ্ত তাড়া খেয়ে এখানে এসে কমিউনিস্ট পার্টি করেছেন। কোনো চিন্তা নেই হিন্দু বাঙালি। দুই টাকা কিলো চাল খাও, ভোটের আগে বিনা পয়সায় ডিম ভাত খাও, দুই হাজার টাকায় শিক্ষকের চাকরি করো। ১০ বছর এসএসসি না হলেও কোনো প্রতিবাদ করোনা।

এসব দেখেও বাঙালি হিন্দু জাতিদের হুঁশ আজও ফেরেনি।ইতিমধ্যে ইসলাম ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্ম।সৌদি আরবের অধ্যাপক নাসির বিন সুলাইমান উল ওমর বলেছেন, ভারত গভীর ঘুমে।ইসলাম দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং হাজার হাজার মুসলমান পুলিশ, সেনাবাহিনী, আমলাতন্ত্রে অনুপ্রবেশ করেছে এবং গুরুত্বপূর্ণ সংস্থায় প্রবেশ করেছে, ইসলাম ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্ম। আজ ভারতও বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে। একটি জাতির উত্থান যেমন যুগ যুগ লাগে, তেমনি তার ধ্বংসের জন্য সময় লাগে। ভারত রাতারাতি শেষ হবে না। এটি ধীরে ধীরে অপসারণ করা হবে।ইরাক,ইরান, কাবুল,ইস্তানবুল,গান্ধার,আফগানিস্তান পাকিস্তানের মতোভারত অবশ্যই ধ্বংস হবে। যদি হিন্দুরা এখনো পর্যন্ত সচেতন না হয়।

  ভারতে প্রতিদিন প্রায় ৬৫০০০ শিশুর জন্ম হয়। এর মধ্যে প্রায় ৪০০০০ মুসলিম শিশু এবং প্রায় ২৫০০০ হিন্দু এবং অন্যান্য ধর্মের শিশু।অর্থাৎ জন্মহার মুসলমানদের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২০%এখন জন্ম নেওয়া শিশুদের মধ্যে মুসলমানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং হিন্দুরা সংখ্যালঘু। এই হারে,২০৫০  সালের মধ্যে, মুসলমানরা ভারতে সংখ্যাগরিষ্ঠ হবে।ভারতকে মুসলিম দেশ হতে কেউ বাধা দেবে না এবং ভারত অবিলম্বে দাঙ্গার আগুনে পুড়ে যাবে। আমরা মুসলমানরা হিন্দুদের মেরে শেষ করে দেব।আজ, সরকারি পরিসংখ্যান অনুসারে, মুসলমানরা জনসংখ্যার প্রায় ২০ %, কিন্তু বাস্তবে তারা ২৫ % ছাড়িয়ে গেছে।সরকারী পরিসংখ্যান ভুল কারণ ওহাবী মুসলমানরা ইচ্ছাকৃতভাবে প্রকৃত সংখ্যা গোপন করে এবং কাফির হিন্দুদের অচেতন রাখার জন্য এই ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যাকে তাদের অস্ত্র হিসাবে নিবন্ধন করে না।

 ধর্মনিরপেক্ষতার নামে ভারতে চলছে মহা প্রতারণা, কিন্তু হতভাগ্য হিন্দুরা এখনও গভীর ঘুমে।হিন্দুরা কেন কাশ্মীরের দিকে তাকিয়ে শিক্ষা পেল না, যেখানে হিন্দুদের তাদের সমস্ত ধন-সম্পদ, নারী ও মেয়েদের পিছনে ফেলে যেতে হয়েছিল। যতদিন হিন্দুরা সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকবে ততদিন ভারত ধর্মনিরপেক্ষ, তারা সংখ্যালঘু হলে তাদের কি হবে জানিনা?  এই বোকা হিন্দুরা পাকিস্তান ও বাংলাদেশের কাফেরদের পরিসংখ্যান থেকেও তা বোঝে না। “হিন্দু কখনো কথা বলবে না, নীরব থাকবে, উচ্চ নৈতিক অবস্থান গ্রহণ করবে,সুতরাং, তার ভাগ্য অবশ্যই ডুববে।পাকিস্তান ও বাংলাদেশ নাকি কাশ্মীর.. কেরালা, বাংলা, উত্তরপ্রদেশ, হায়দ্রাবাদ এবং অন্যান্য রাজ্যের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকা বিবেচনা করুন।আপনার শহরের মুসলিম জনগোষ্ঠীর কোনো এলাকায় যাবেন না, আপনি হয়তো তাদের অপলক দৃষ্টির মাঝে আপনার নিঃশ্বাস আটকে আছেন।এ ছাড়া জাম্বিয়া ও মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলো উদাহরণ।মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠের আগমনের সাথে সাথে এই ধর্মনিরপেক্ষ দেশগুলিকে ইসলামী দেশ ঘোষণা করা হয়।  লন্ডন, সুইডেন, ফ্রান্স এবং নরওয়ের মতো দেশে প্রতিদিন সহিংসতা ঘটে। ” আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন কেন এমন হচ্ছে?

বর্তমান পশ্চিমবঙ্গে ৯-১১ বছর বয়সী মুসলমান বাচ্চারা বাংলার মোট জনসংখ্যার প্রায় ২০%। হিন্দু বাচ্চারা সেখানে মাত্র ৯%। মাত্র দশ বছর পর, অর্থাৎ ২০৩১ সালেই এই সব বাচ্চারা আঠারো বছর পেরিয়ে ভোটাধিকার পাবে। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে মুসলমান ভোটাররা মোট ভোটার সংখ্যার প্রায় ৩০%। যদিও ৯% হিন্দু বাচ্চারাও ২০৩১এ ভোট দিতে পারবে, তবুও ঠিকমতো হিসেব করলে দশ বছর পরে ২০৩১ সালে পশ্চিমবাংলায় মুসলমান ভোটাররা হবে মোট ভোটারসংখ্যার প্রায় ৪৫%।ওরা এককাট্টা হয়ে একটা দলকেই ভোট দেয়। হিন্দু ভোট অন্তত তিনভাগ হয়। ২০৩১ সালেও সম্ভবত এইভাবেই ভোট পড়বে। সেক্ষেত্রে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হুগলি, বর্ধমান, নদিয়া, বীরভূমের মতো জেলাগুলোর যেসব বিধানসভা এলাকায় মুসলমানরা মোট জনসংখ্যার (ভোটার সংখ্যার নয়) ৩৫% হবে, সেখানেও ভোটার সংখ্যার নিরিখে এককাট্টা হয়ে ভোট দিয়ে ওরা ওদের পছন্দের প্রার্থীকে জিতিয়ে দিতে পারবে; হিন্দুরা ভোট ভাগাভাগির কারণে অল্প পরিমাণ ভোটে হেরে যাবে। মালদহ, মুর্শিদাবাদের হিসেব তো ছেড়েই দিলাম। মুসলমানদের জন্মহার ও বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীদের দৌলতে একমাত্র উত্তরবঙ্গের হাতে গোনা কিছু জেলা বাদ দিলে পশ্চিমবঙ্গে বাকি সব জেলাতেই ২০৩১ সালের মধ্যে মুসলমান জনসংখ্যা ৩৫% ছুঁয়ে ফেলবে বা ছাপিয়ে যাবে — যার ফলে এই জেলাগুলোতে মুসলমান ভোটারদের সংখ্যা জেলার মোট ভোটার সংখ্যার ৪২-৪৫% হয়ে যাবে। এবং যেহেতু ওরা ধর্মের ভিত্তিতে একসাথে একটাই দলকে ভোট দেয়, তাই ২০৩১ সালে উত্তরবঙ্গের অল্প কয়েকটি জেলা বাদ দিয়ে পশ্চিমবাংলার বাকি সব জেলার অধিকাংশ আসনেই মুসলমানদের পছন্দের দল বা প্রার্থী জয়ী হবে। হিন্দুদের প্রার্থীরা ভোটভাগের কারণে কান ঘেঁষে হারবে। যদি সত্যিই তাই ঘটে, তাহলে ২০৩১ সালের নির্বাচনে পশ্চিমবাংলার ২৯৪টা বিধানসভা আসনের মধ্যে মুসলমানদের পছন্দের প্রার্থী আর দল মিলিয়ে প্রায় ১৭০-১৮০টা আসন পাবে, যা পশ্চিমবাংলায় সরকার গড়তে প্রয়োজনীয় ১৪৮ আসনের চেয়ে অনেক বেশি। 

ফলাফল ??২০৩১ সালে পশ্চিমবঙ্গে মুসলমান মুখ্যমন্ত্রী ও ইসলামিক রাজ্য সরকার।পরিণাম???

১৯৪৭ সালের পুনরাবৃত্তি : অত্যাচার, লুটপাট, দাঙ্গা, ধর্ষণ, খুন, বাংলাভাগ, হাজার হাজার মানুষ নিঃস্ব, গৃহহীন, মৃত, হিন্দু বাঙালি আবার নিজের দেশে, নিজের রাজ্যে সহায়সম্বলহীন উদ্বাস্তু, পথের ভিখারী। কোনো নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ, যোগী আদিত্যনাথ, দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়, ট্রাম্প, পুতিন, জিমপাই, মার্কস, লেনিন, বিবেকানন্দ, সুভাষচন্দ্র — কেউ বাঁচাবে না।

আর যারা পশ্চিমবাংলাকে ইসলামীকরণের পথে ঠেলে দিয়ে আপনার ভবিষ্যত প্রজন্মকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েই যাচ্ছে তারাও কিন্তু বেঁচে থাকবে না। বাঙালি সচেতন হও নইলে, এখন থেকেই গোছগাছ শুরু করে দাও। তোমাদের লড়তে বলে কোনো লাভ নেই, কারণ তোমাদের মেরুদণ্ড অনেকদিন আগেই ভেঙে গেছে। এত স্বার্থপর, ধূর্ত, দুর্বল, লোভী, নীতিহীন, চরিত্রহীন ও বাস্তববোধহীন জাতি কোনোদিন লড়াই করতে পারে না। তাই লড়াই করতে না বলে জিনিসপত্র গুছিয়ে নিতে বলছি, কারণ বাঙালি আর কিছু পারুক বা না-পারুক, নিজের আখের খুব ভালো গুছিয়ে নিতে জানে। তাই এখন থেকেই যতটা পারো সবকিছু ভালো করে গুছিয়ে নাও, যাতে হঠাৎ করে একদিন রাত্রিবেলায় এক জামাকাপড়ে ভাতের হাঁড়ি বগলে নিয়ে রাতের অন্ধকারে ঘরবাড়ি ফেলে প্রাণ হাতে করে পালাতে না-হয়; যেভাবে ১৯৪৭ সালে পূর্ববঙ্গের হিন্দুরা পালিয়ে এসেছিল, যেভাবে ‘স্বাধীন, ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক দেশ’ ভারতবর্ষে ১৯৯১ সালে কাশ্মীরের হিন্দুরা পালিয়ে এসেছিল।ওরা কিন্তু আজো উদ্বাস্তু — নিজের দেশে।

 মেধাহীনজ্ঞানহীন, নীতি নৈতিকতাহীন সমাজে পিছিয়ে পড়া ধlন্ধাবাজ বখাটেদের হাতে রাজ্যের ক্ষমতা l

বাঙালি জাতি টি আর কত টা নিচে নামতে পারে , এটা এখনও দেখার বাকি আছে …

কলকাতা একটা মৃত শহর , যেখানে না আছে পড়া শোনা করার মতো উপযুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না আছে একটু ভদ্র ভাবে বেঁচে থাকার জন্য কর্মসংস্থান । সেই মৃত শহরের বাসিন্দারা একবার নিজের সন্তান এর দিকে তাকিয়ে ভয় করে না , যে তাদের সন্তান বড় হলে তারা কি এই নির্লজ্জ শহরে দু মুঠো খাবার জোগাড় করতে পারবে না , দিল্লি , মুম্বাই , হায়দ্রাবাদ,চেন্নাই এর মত শহরে গিয়ে অন্য জাতের দয়া ভিক্ষা করে খে গোতে হবে। বাংলা এখন ভিক্ষাতেই খুশি।

হিন্দুরা সামান্য সুযোগ সুবিধা পাওয়ার জন্য নিজেদের ভালোর জন্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে কোথায় ঠেলে ঠেলে দিচ্ছে। শুধু ফ্রী কারেন্ট, চাল, ডাল আর ১০০০ টাকা ভাতা পাওয়ার জন্য এত নিচে নেমে যাচ্ছে।

রাম মন্দির গঠন হওয়ার পর সবথেকে বেশি বিরোধিতা করেছিল হিন্দুরা। বেশিরভাগ বুদ্ধিজীবী শিক্ষিত মহল বলেছিল লড়াইটা হোক ভাতের জন্য জাত বাঁচানোর নয়।কিন্তু প্রশ্ন বিশ্বের ৫৭  টি মুসলিম দেশ আর প্রায়  ১০০ টি খ্রিষ্টান দেশ কিন্তু ভাতের লড়াই করেনি।তারা বুঝেছিল জাত ধর্ম যদি বাঁচে, তাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের আজ জন্ম ভিটে এমনিতেই বাঁচবে।আর সমগ্র বিশ্ব থেকে হিন্দুরা লাথি খাওয়ার পরেও এখনো তাদের হুঁশ ফেরেনি। এখনো যদি সচেতন না হয় তাহলে শুধুমাত্র পশ্চিমবাংলায় নয় ভারত বর্ষতেই হিন্দু ও বাঙালিরা উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে। সংখ্যালঘুতে পরিণত হবে সে বিষয়ে সন্দেহের কোন অবকাশ থাকতে পারে না।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

1,231FansLike
10FollowersFollow
4SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

Latest Articles