সুভাষ চন্দ্র দাশ,ক্যানিং : সম্পত্তি নিয়ে মামা-ভাগ্নের বিবাদে গুরুতর জখম হলেন ভাগ্নে ও মামী। শনিবার সকালে ঘটনা টি ঘটেছে ক্যানিং থানার অন্তর্গত গোপালপুর পঞ্চায়েতের বদুকুলা গ্রামে। ঘটনায় জখম হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মামী ও ভাগ্নে।
স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে,বদুকুলা গ্রামের বাসিন্দা গৌর চন্দ্র হালদার। তার ভাগ্নে রবিবাম হালদারের বাড়ি একই থানা এলাকার ইটখোলা পঞ্চায়েতের গোলাবাড়ির মধুখালি গ্রামে। দুশতক সম্পত্তি নিয়ে মামা-ভাগ্নের লড়াই চলছিল দীর্ঘদিন। শনিবার সকালে মধুখালি গ্রাম থেকে বদুকুলা গ্রামে হাজীর হয় ভাগ্নে রবিরাম ও তার ছেলে সূবর্ণ হালদার। বদুকুলা গ্রামে হাজীর হয়ে মামা গৌর চন্দ্র হালদারের স্ত্রী সাথে সম্পত্তি নিয়ে ঝগড়া শুরু করে। অভিযোগ আচমকা রবিবার তার মামী পারুল হালদারের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে বেধড়ক মারধর করে কাপড় ছিঁড়ে দেয়। এমনকি তার পেটেও লাথি মারে।
ঘটনার বিষয়ে উভয় পক্ষই ক্যানিং থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে।অন্যদিকে শাবলে আঘাতে মাথা ফাটে ভাগ্নে রবিরামের। স্থানীয়রা জখমদের উদ্ধার করে। চিকিৎসার জন্য ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে উভয় পক্ষই।
ঘটনা প্রসঙ্গে আক্রান্ত পারুল হালদার জানিয়েছে, ‘ভাগ্না রবিরাম হালদার জোর করে আমাদের দুশতক সম্পত্তি দখল করার চেষ্টা করে। বাধা দিতেই আমাকে মাটিতে ফেলে বেধড়ক মারধর করে কাপড় ছিঁড়ে দেয়। আমার পেটে দুটো অপারেশান হয়েছিল। মাটিতে ফেলে সেখানে একাধিকবার লাথি মারে।’
পারুলের স্বামী গৌর জানিয়েছে, ‘রবিবাম প্রতিনিয়ত জায়গা দখল করার জন্য ঝগড়া করতো। শনিবার সকালে এসে জায়গা দখল করার চেষ্টা করে। বাধা দিতেই আমার স্ত্রীকে মাটিতে ফেলে বেধড়ক মারধর করে শ্লীলতাহানি করে। আবার নিজের দোষ ঢাকার জন্য নিজেই মাথা ফাটিয়ে আমাদের দোষারোপ করছে। থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। ’
অন্যদিকে রবিরাম জানিয়েছে ,মামা আমার সম্পত্তি দখল করে রেখেছে । সেই নিয়ে মামা আমার মাথায় শাবল দিয়ে মারে। মাথা ফেটে যায়। ওরা চক্রান্ত করে মিথ্যা কথা বলছে। ঘটনার বিষয়ে ক্যানিং থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি।’
ক্যানিং পুলিশ উভয় পক্ষের অভিযোগ খতিয়ে দেখে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।



