Home Uncategorized শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণদেবের ১৯১তম জন্মতিথি সাড়ম্বরে পালিত হচ্ছে বেলুড় মঠে, বহু ভক্তের সমাগম

শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণদেবের ১৯১তম জন্মতিথি সাড়ম্বরে পালিত হচ্ছে বেলুড় মঠে, বহু ভক্তের সমাগম

0

সুমন আদক, হাওড়া: ঠাকুর শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণদেবের ১৯১তম জন্মতিথি সাড়ম্বরে পালিত হলো বেলুড় মঠে। এই উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বহু ভক্তের সমাগম হয়। এদিন ভোর সাড়ে চারটেয় শ্রীশ্রীঠাকুরের মন্দিরে মঙ্গলারতির মধ্যে দিয়ে পূজার সূচনা হয়। এরপর দিনভর চলে বিভিন্ন অনুষ্ঠান। বেলুড় মঠ সূত্রে জানা গেছে, শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের ১৯১তম জন্মতিথি উৎসব উপলক্ষে এদিন ৬ই ফাল্গুন ১৪৩২, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শ্রীশ্রীঠাকুরের মন্দিরে মঙ্গলারতি’র মাধ্যমে এদিন অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর হয় বেদপাঠ ও স্তবগান। এরপর হয় ঊষা-কীর্তন। এদিন শ্রীশ্রীঠাকুরের বিশেষ পূজা ও হোম অনুষ্ঠিত হয়। এরপর শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ-বন্দনা অনুষ্ঠিত হয়। সভামণ্ডপেও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত পাঠ ও ব্যাখ্যা, ভক্তিগীতি,
শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ লীলাপ্রসঙ্গ পাঠ ও ব্যাখ্যা, গীতি-আলেখ্য ‘পতিতপাবন শ্রীরামকৃষ্ণ’, তাল-বাদ্য, ভজন, যন্ত্র-সঙ্গীত অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে হয় ধর্মসভা। বিষয় ছিল ‘শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ জীবন ও বাণী’। সভাপতিত্ব করেন স্বামী সুবীরানন্দ মহারাজ। বক্তা ছিলেন স্বামী বাণেশানন্দ (বাংলা), স্বামী সর্বভূতানন্দ (হিন্দী) এবং স্বামী শুদ্ধিদানন্দ (ইংরাজী)। সন্ধ্যায় শ্রীশ্রীঠাকুরের মন্দিরে সন্ধ্যারতি অনুষ্ঠিত হয়। এদিন মা সারদা সদাব্রত ভবন থেকে হাতে হাতে ভক্তদের প্রসাদ বিতরণ করা হয়। এদিন বেলুড় মঠে আসা বেলুড় গার্লস প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকা বলেন, ‘প্রতি বছরই আমরা বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের নিয়ে বেলুড় মঠে এই বিশেষ দিনে আসি। আজকে শ্রীশ্রীঠাকুরের জন্মতিথিতে বাচ্চাদের এখানে নিয়ে এসেছি। ওরাও রামকৃষ্ণ, বিবেকানন্দ, মা সারদা সম্পর্কে ওনাদের চিনছে জানছে। এই দিনটির মাহাত্ম্য বাচ্চাদের কাছেও বিশেষভাবে থাকবে। প্রত্যেক বছরই সেই জন্য স্কুলের বাচ্চাদের এখানে নিয়ে আসি।’ এদিন সকালে বেলুড় মঠে আসা বালির প্রাক্তন কাউন্সিলর প্রবীর রায়চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের জীবনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে ঈশ্বরকে পাওয়া। সেই পথ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব আমাদের দেখিয়েছিলেন। আজকের দিনে এখানে আসতে পেরে খুব ভালো লাগছে। মনে হচ্ছে সারা জীবন যেন এভাবেই ঠাকুরের আশীর্বাদ নিয়ে বেঁচে থাকা যায়।’

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Exit mobile version