কুনাল মালিক: সম্প্রতি এসআইআর নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে একটি শুনানি ছিল। রাজ্য সরকারের আইনজীবীরা বর্তমানে বিচারাধীন ভোটার তালিকা নিয়ে যে সমস্ত বিচারকরা কাজ করছেন তাদের ব্যাপারে প্রশ্ন তুলেছিলেন। এমনকি যাদের নাম শেষ পর্যন্ত ভোটার তালিকায় উঠবে না তারা কিভাবে ভোটার তালিকায় নাম তুলবেন সে ব্যাপারে জানতে চাওয়া হয়। প্রথমে ঠিক ছিল যে যাদের নাম বাদ পড়বে তারা জেলাশাসকের কাছে ৬ নম্বর ফর্মে তথ্য দিয়ে নাম তোলার জন্য আবেদন করতে পারেন। কিন্তু এদিন সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিরা জানিয়ে দিয়েছেন, এসআইআরের অন্তিম পর্বে বিচারকদের উপরেই আস্থা রাখছে কোর্ট। তাদের কাজের ব্যাপারে কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। কেউ হস্তক্ষেপ করলে তাদের আইনগত শাস্তিও দেওয়া হতে
পারে। আর সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি কলকাতা হাইকোর্টেকা প্রধান বিচারপতি সুজয় পালকেন নির্দেশ দিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত বেশ কয়েকজন বিচারপতিদের নিয়ে একটি ট্রাইবুনাল করে দিতে। কোন বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়লে তারা ট্রাইবুনালের কাছে আবেদন করতে পারবেন। ট্রাইবুনালই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সমস্ত নথি খতিয়ে দেখে। সুতরাং এটা পরিষ্কার এসআইআর পর্বের পর যে ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা বেরিয়েছে সেটা ধরেই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে। পরবর্তী সময়ে নমিনেশনের আগের দিন পর্যন্ত যাদের নাম চেক করার পরে বৈধ বলে মনে করবেন বিচারকরা তা ধীরে ধীরে ভোটার তালিকায় সংযোজিত হয়ে যাবে।
২৮ ফেব্রুয়ারি যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে সেখানে প্রায় ৬৫ লক্ষ ভুয়ো ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে পারে। আর সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালকে নির্দেশ দিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত বেশ কয়েকজন বিচারপতিদের নিয়ে একটি ট্রাইবুনাল করে দিতে। কোন বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়লে তারা ট্রাইবুনালের কাছে আবেদন করতে পারবেন। ট্রাইবুনালই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সমস্ত নথি খতিয়ে দেখে। সুতরাং এটা পরিষ্কার এসআইআর পর্বের পর যে ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা বেরিয়েছে সেটা ধরেই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে। পরবর্তী সময়ে নমিনেশনের আগের দিন পর্যন্ত যাদের নাম চেক করার পরে বৈধ বলে মনে করবেন বিচারকরা তা ধীরে ধীরে ভোটার তালিকায় সংযোজিত হয়ে যাবে।
২৮ ফেব্রুয়ারি যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে সেখানে প্রায় ৬৫ লক্ষ ভুয়ো ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে।
বিচারাধীন আছে এখনো ৬০ লক্ষ। সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, ১৫ লক্ষ নথি ইতিমধ্যে চেক হয়ে গিয়েছে। যার মধ্যে ৪০ শতাংশ নাম বাদ পড়ছে ৬০ শতাংশ নাম সংযোজন করা হচ্ছে ভোটার তালিকায়। আরো সূত্রের খবর যে শেষমেষ বিচারকরা যেভাবে তৎপর হয়ে কাজ করছেন তাতে এই বিচারাধীন ৬০ লক্ষ ভোটারের মধ্যে অধিকাংশই ঝাড়াই বাছাই হয়ে ভোটার লিস্টে সংযোজিত হয়ে যাবে।। কারণ এখনও প্রায় ১ মাস হাতে সময় আছে। শেষমেষ হয়তো ৯০ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ যেতে পারে।
এবার প্রশ্ন ভোট কবে ঘোষণা হচ্ছে এবং কদফায়? জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ সম্প্রতি রাজ্যে এসে বিভিন্ন বিষয় তদারকি করে সভা করে দিল্লি ফিরে গিয়েছে। এ রাজ্যের নির্বাচন আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল একবার জানিয়েছিলেন, তারা ১ দফাতেই এ রাজ্যে ভোট করতে প্রস্তুত। তবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন এ রাজো ১ দফায় ভোট করতে নারাজ। সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, আগামী ১৬ মার্চ হয়তো দিল্লি থেকে বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হতে পারে।
পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে তামিলনাড়ু, কেরালা, অসম, পন্ডিচেরি বিধানসভারও দিনক্ষণ ঘোষণা হবে। ১৭ মার্চ থেকে এরাজ্যে নোটিফিকেশন শুরু হয়ে যাবে। সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, কমিশন এ রাজ্যে ২ থেকে ৩ দফায় ভোট করাতে পারে। যদি ২ দফায় ভোট হয় তাহলে ১৭ থেকে ২৬ এপ্রিলের মধ্যে ভোট সম্পন্ন হয়ে যাবে এবং ৩০ এপ্রিল গণনা হতে পারে। আর যদি ৩ দফায় ভোট হয় তাহলে ১৭ থেকে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে ভোট সম্পন্ন হবে এবং গণনা হতে পারে ২ মে। শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকাও ইতিমধ্যে চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
অন্যদিকে, বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে রাজ্য নেতৃত্বের দফায় দফায় বৈঠক হয়েছে দিল্লিতে প্রার্থী তালিকা নিয়ে। জানা যাচ্ছে, প্রায় প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। বিজেপির প্রার্থী তালিকায় এবার বেশ কিছু চমক লক্ষ্য করা যাবে বলেই জানা যাচ্ছে। ৪০ থেকে ৫০ জন অরাজনৈতিক প্রতিবাদী ব্যক্তিরাও এবারে বিজেপির প্রার্থী তালিকায় থাকতে পারেন।



