বিষ্ণুপুর মহকুমা শাসকের করণ ও বাচিক : আবৃত্তি প্রশিক্ষণ ও চর্চাকেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় কবি অন্নদাশঙ্কর রায়ের জন্মদিবস পালন করা হল ।
১৫ ই মার্চ সকালে বিষ্ণুপুর কোষাগার ভবনে (ট্রেজারি অফিসে) কবির আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান করেন মহকুমা শাসক বিষ্ণুপুর প্রসেনজিৎ ঘোষ । পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে বাচিকের ছাত্রছাত্রীরা,
বাচিকের প্রধান পৃষ্ঠপোষক রবীন্দ্রনাথ পাত্র, নাট্যব্যক্তিত্ব দুর্গাদাস মুখোপাধ্যায়, সাহিত্যিক শরদিন্দু কর, বিশিষ্ট আবৃত্তিকার চিত্তরঞ্জন ঘোষ, অমলকান্তি ঘোষ, কবি সুব্রত পন্ডিত, মনোজ মুখোপাধ্যায় প্রমুখ ।
এইদিন সকালে বাচিকের শিক্ষার্থীরা কবির প্রতিকৃতি নিয়ে শহর পরিক্রমা করে কবিমূর্তির পাদদেশে পৌঁছয় ।
বাচিকের ছাত্রছাত্রীরা কবির “খুকু ও খোকা” কবিতাটি সমবেতভাবে আবৃত্তি করে ।
১৯৩৪ সালে সপ্তম মহকুমা ম্যাজিস্ট্রেট বা মহকুমা শাসক হিসেবে বিষ্ণুপুরে এসেছিলেন অন্নদাশঙ্কর রায় (I.C.S.)

মহকুমা শাসক প্রসেনজিৎ ঘোষ তাঁর বক্তব্যে বলেন ” আমার গর্ব হচ্ছে যে আমি এই মানুষটির উত্তরসূরি হিসেবে বিষ্ণুপুরে মহকুমা শাসক হিসেবে কাজ করছি, আমি সৌভাগ্যবান । আর বাচিকের ছাত্রছাত্রীদের এই প্রয়াস কে সাধুবাদ জানাই ।”
বাচিকের অধ্যক্ষ অনিন্দ্য মুখোপাধ্যায় বলেন, “কবিতাচর্চার পাশাপাশি আজ কবির জন্মদিবসে আমাদের আবৃত্তি চর্চারত ছাত্রছাত্রীদের সাথে এই বিশিষ্ট কবির পরিচয় ঘটানো, এবং কবি ও সরকারি প্রশাসক অন্নদাশঙ্কর রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের উদ্দেশ্যেই এই উদ্যোগ ।”
শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাচিকের অধ্যক্ষ অনিন্দ্য মুখোপাধ্যায় ।