Saturday, March 7, 2026
spot_img

পশ্চিমবঙ্গকে দ্রুত এনএফডিপি-তে নিবন্ধন বাড়াতে হবে, মাছ প্রক্রিয়াকরণ ও অভ্যন্তরীণ মাছ রপ্তানিতে জোর দিতে হবে বলে মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী

কেন্দ্রীয় মৎস্যসম্পদ, পশুপালন ও দুগ্ধ উন্নয়ন মন্ত্রী শ্রী রাজীব রঞ্জন সিংহ আজ পশ্চিমবঙ্গে মাছচাষ সংক্রান্ত কেন্দ্রের প্রকল্পগুলির বাস্তবায়নে কিছু ঘাটতির কথা বলেন। তিনি জানান, রাজ্যের ৩২ লক্ষ মাছচাষির মধ্যে মাত্র ৫১০০০ এনএফডিপি (জাতীয় মৎস্য উন্নয়ন পোর্টাল)-তে নিবন্ধিত। এর ফলে তাঁরা অনেক সরকারি সুবিধা পাচ্ছেন না।

কলকাতার একটি হোটেলে আয়োজিত আঞ্চলিক পর্যালোচনা বৈঠকে মন্ত্রী বলেন, রাজ্যে পুকুর ও অন্যান্য জলাশয়ে মাছচাষের অনেক সুযোগ রয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। তিনি বলেন, মৎস্যজীবীদের জন্য সমবায় গঠন, মাছ প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র তৈরি এবং শুকনো মাছের ক্লাস্টার গড়ে তোলা জরুরি। এতে কর্মসংস্থান ও রপ্তানি বাড়বে।

মন্ত্রী আরও বলেন, উন্নত প্রযুক্তি, ভালো প্রশিক্ষণ এবং কৃত্রিম প্রাচীরের মতো পুরনো উদ্যোগগুলো আবার চালু করা দরকার। তিনি জানান, ভারত এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মাছ উৎপাদক দেশ। গত ১০ বছরে দেশের মাছ উৎপাদন ১০৪ শতাংশ বেড়েছে। অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থায় মাছ উৎপাদন বেড়েছে ১৪২ শতাংশ। এই খাত থেকে রপ্তানিও বাড়ানো দরকার।

কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শ্রী জর্জ কুরিয়ান এবং মৎস্য বিভাগের সচিব ড. অভিলক্ষ লিখি-ও এই বৈঠকে ছিলেন। তাঁরা বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে সুসমন্বয় ও শক্তিশালী পরিষেবা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। এতে প্রকল্পগুলির সুফল মানুষ সহজে পাবে।

এই বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ঝাড়খণ্ড ও ছত্তিশগড় রাজ্যের প্রধান প্রধান মৎস্য প্রকল্পগুলির অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়। অংশ নেন কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।

মূলত প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনা (পিএমএমএসওয়াই), মৎস্য ও জলচাষ পরিকাঠামো উন্নয়ন তহবিল (এফআইডিএফ), কৃষক ঋণ কার্ড (কেসিসি) এবং প্রধানমন্ত্রী মৎস্য কৃষক সমৃদ্ধি সহ-যোজনা (পিএম-এমকেএসএসওয়াই)–র বাস্তবায়ন কীভাবে আরও ভালো করে করা যায়, তা নিয়েই রূপরেখা তৈরি হয় এই সভায়।


Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

1,231FansLike
10FollowersFollow
4SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

Latest Articles