সুমন আদক, হাওড়া: বিএলএ ২-দের শুনানিতে রাখার দাবিতে এবার হাওড়ার ডোমজুড়ে তৃণমূলের বিক্ষোভ। রাস্তায় বসে দেওয়া হলো স্লোগান। মঙ্গলবার সকালে এর জেরে ছড়ায় উত্তেজনা। ডোমজুড় বিডিও অফিসের সামনেই বিএলএ ২-দের নিয়ে বিক্ষোভ হয়। এখানে শুনানি কেন্দ্রের বাইরে নির্বাচন কমিশনের এসআইআর এর শুনানি নিয়ে ‘হয়রানি’র প্রতিবাদে স্লোগান দেন তাঁরা।জগৎবল্লভপুরের তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সুবীর চ্যাটার্জি, ডোমজুড়ের যুব তৃণমূল ব্লক সভাপতি নুরাজ মোল্লা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তৃণমূলের দাবি, অবিলম্বে বিএলএ ২-দের শুনানি কেন্দ্রের মধ্যে ঢুকতে দিতে হবে। আর এই দাবি তুলে এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী এবং বিএলএ-টু’রা ডোমজুড় বিডিও অফিসের সামনে রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখান। ডোমজুড় ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি নুরাজ মোল্লা বলেন, ‘বিজেপির সাথে যুক্ত হয়ে নির্বাচন কমিশন বাংলার মানুষের সঙ্গে ছিনিমিনি খেলছে। বাঁকড়া, কোরলা,পার্বতীপুর সহ দূর-দূরান্ত থেকে বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, মহিলা, অসুস্থ মানুষ সহ অনেকেই অনেক টাকা খরচ করে এখানে আসছেন শুনানির জন্য। নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাব চাই নোটিশ দেওয়া সত্ত্বেও কেন এই বয়স্ক মানুষকে শুনানির জন্য লাইন দিতে হচ্ছে। শুনানি ভিতরে চলছে। আমরা সেখানে ঢুকিনি। আমরা গণতান্ত্রিক পদ্ধতির কোনও ব্যাঘাত না ঘটিয়ে মানুষের অসুবিধা যাতে না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখেই শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করছি। আমরা ইআরও’র সঙ্গেও কথা বলব।’ এদিন জগৎবল্লভপুর কেন্দ্র তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুবীর চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘সারা বাংলা জুড়েই নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপি এক হয়ে রয়েছে। বাংলার মানুষকে প্রতিটি পদক্ষেপে হয়রানি করা হচ্ছে। একমাস ধরে বিএলও’দের সঙ্গে বিএলএ-টু’রা অক্লান্ত পরিশ্রম করলেন। কিন্তু হিয়ারিং এর সময় বিএলএ ২-দের বাদ দিয়ে দেওয়া হলো। হিয়ারিং এর সময় বিএলএ ২-দের কেন ডাকা হবে না আমাদের এই জায়গাতেই প্রতিবাদ। আমাদের দাবি সর্বদলের বিএলএ-২ দের হিয়ারিং এর সময় থাকতে দিতে হবে। এছাড়াও ৮০ বছরের ঊর্ধ্বে মানুষের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে হিয়ারিং করতে হবে। প্রতিদিন নির্বাচন কমিশন এক একটা ফিরিস্তি বের করছে। এরজন্য আমরা তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। হাওড়া ডোমজুড় ব্লকের ইআরও’র সঙ্গে দেখা করতে এসেছি। আমরা চাই মানুষ হিয়ারিংয়ে অংশগ্রহণ করুন। হিয়ারিংয়ে আগত মানুষদের যেন কোনও হয়রানি না হয়। এইরকম যদি চলে তাহলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে যাব। এরজন্য আমাদের দল প্রস্তুত।’



