নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি : রাজ্যের প্রথম ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র বীরভূম জেলার চিনপাইয়ে হতে চলেছে। জ্যোতি বসু মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন তৈরী হয়েছিল বক্রেশ্বর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। তারপর পেরিয়ে গিয়েছে প্রায় তিন দশক। বীরভূম জেলায় তৈরী হয় নি কোনো নতুন শিল্প বা কলকারখানা। ২০২৬ সালের ৪ মে রাজ্যে পালাবদলের পর বক্রেশ্বর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র সংলগ্ন জলাশয় নীলনির্জনে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করার কথা রাজ্য বাজেটে ঘোষনা করেছেন বিজেপি সরকারের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। রাজ্যের মধ্যে বৃহত্তম ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প হতে চলেছে। অপ্রচলিত শক্তির ব্যবহার বাড়াতে প্রায় ২০০০ কোটি টাকা ব্যয়ে অত্যাধুনিক ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। জলাশয়ে স্থাপিত সোলার প্যানেলের মাধ্যমে প্রচুর পরিমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন,আধুনিক ব্যাটারি প্রযুক্তির সাহায্যে সেই বিদ্যুৎ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। ১১ অক্টোবর চিনপাই কালীমন্দিরের চূড়া উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে এসে রাজ্যের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী তথা সিউড়ি বিধানসভাকেন্দ্রের বিধায়ক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “এবারের বাজেটে বরাদ্দ বক্রেশ্বর নীল নির্জন জলাধারে ২০০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০০ মেগাওয়াটের ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র হবে যা পূর্ব ভারতে আগে কোনোদিন হয় নি। এক থেকে দেড়বছরের মধ্যে কাজ সম্পন্ন হবে। সেখানে কিছু লোকজনের কাজ হবে। যে সংস্থা আসুক না কেন স্থানীয় বিধায়ক হিসাবে স্থানীয় লোকজনদের কাজ দিতে বলবো।” এরফলে কর্মসংস্থানে নতুন দিশা খুলবে বলে আশা জেলাবাসীর।
