
সুভাষ চন্দ্র দাশ,ঝড়খালি : দিন আনা দিন খাওয়া মৎস্যজীবি পরিবার।শুক্রবার নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন মৎস্যজীবি দম্পতি। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে মাঝ নদীতে নৌকা উল্টে যায়।দম্পতি নদীর স্রোতে তলিয়ে যায়।অন্যান্য মৎস্যজীবিদের তৎপরতায় বরাতজোরে প্রাণে বেঁচে যায় স্বামী মহেশ্বর মন্ডল। তবে মৎস্যজীবি বধু উদ্ধার হয়নি।ঘটনাটি ঘটেছে সুন্দরবনের ঝড়খালি কোষ্টাল থানার অন্তর্গত বালিখাল সংলগ্ন বিদ্যাধরী নদীতে।
স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে,স্থানীয় বালিখাল এলাকার মৎস্যজীবি দম্পতি মহেশ্বর মন্ডল ও শিবানী মন্ডল। জীবন জীবিকার জন্য প্রতিদিনই ছোট্ট একটি নৌকা নিয়ে নদীতে মাছ ধরেন।অন্যান্য দিনের ন্যায় শুক্রবার সকালে বিদ্যাধরী নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন।সকাল আটটা নাগাদ নদীবক্ষে থাকাকালিন আচমকা তীব্র ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়।দম্পতির নৌকা মাঝনদীতে উল্টে যায়।নদীর স্রোতে ভেসে যেতে থাকে দম্পতি।ঘটনা দেখতে পেয়ে অপর একদল মৎস্যজীবি নৌকা নিয়ে দম্পতিকে উদ্ধার করার চেষ্টা করে। নদীর স্রোতে ভেসে যাওয়া মহেশ্বর মন্ডল কে কোন প্রকারে উদ্ধার করে।তবে শিবানী দেবী নদীর স্রোতে তলিয়ে যায়।দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাজীর হয় বাসন্তীর বিজেপি নেতা বিকাশ সরদার,
জয়নগর সাংগঠনিক জেলা সম্পাদক সুবল বিশ্বাস,মৎস্যজীবি সেলের কনভেনার সৌরভ মন্ডল,বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য মিঠুন গায়েন সহ অন্যান্যরা।অন্যদিকে ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের কর্মীরা যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধার কার্যে নামেন।শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত নদীবক্ষে তল্লাশি অভিযান চালালেও উদ্ধার হয়নি ওই মৎস্যজীবি বধু।পাশাপাশি ঘন অন্ধকার নেমে আসায় উদ্ধার কার্য বন্ধ রাখা হয়।শনিবার সকাল থেকে পুনরায় উদ্ধার কাজ শুরু হয়,তবে খোঁজ মেলেনি ওই মৎস্যজীবির।অন্যদিকে স্ত্রীকে না পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মহেশ্বর মন্ডলর ও তার পরিবারের লোকজন।