Home Uncategorized লিগামেন্ট ছিঁড়ে সংকটে প্রতিভাবান ফুটবলার, পুত্রের চিকিৎসার অর্থের দুঃশ্চিন্তায় টোটোচালক

লিগামেন্ট ছিঁড়ে সংকটে প্রতিভাবান ফুটবলার, পুত্রের চিকিৎসার অর্থের দুঃশ্চিন্তায় টোটোচালক

0

দেবাশিস রায়, পূর্ব বর্ধমান: খেলতে গিয়ে ডান পায়ের লিগামেন্ট ছিঁড়ে সংকটে পড়েছেন এক দরিদ্র প্রতিভাবান তরুণ ফুটবল খেলোয়াড়।এদিকে পুত্রের অপারেশনের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থের জোগার করা নিয়ে ঘোরতর দুঃশ্চিন্তার মধ্যে কাটাচ্ছেন টোটোচালক পিতা।যদিও এমনতর সংকটাপন্ন পরিস্থিতিতে স্থানীয় ফুটবল আকাদেমি যথাসাধ্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ায় প্রতিভাবান এই ফুটবলার নতুন করে আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন।পূর্ব বর্ধমান জেলার দাঁইহাট শহরের ৯ নং ওয়ার্ডের চরপাতাইহাট কালীখোলা এলাকার বাসিন্দা আকাশ বিশ্বাস একজন প্রতিভাবান ফুটবলার রূপে পরিচিতি লাভ করেছে।২২ বছরের এই তরুণ ফুটবলার ‘দাঁইহাট (এস আর) ফুটবল আকাদেমি’র একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য রূপে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের ময়দানে দাপিয়ে খেলেছেন।তাঁর পায়ের জাদুতে ক্রীড়াপ্রেমীরা মুগ্ধ হন।আকাদেমি সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১২ মার্চ দাঁইহাট হাইস্কুল ময়দানে এক আন্তর্জাতিক মানের প্রদর্শনী ফুটবল খেলা (সাউথ আফ্রিকা একাদশ বনাম দাঁইহাট ফুটবল একাদশ)অনুষ্ঠিত হয়েছিল।সেই খেলায় একজন নাইজিরিয়ান ফুটবলারের সঙ্গে জোরালো ধাক্কায় আকাশ বিশ্বাসের ডান পায়ের লিগামেন্ট ছিঁড়ে যায়।তারপর থেকেই চিকিৎসা চলার পাশাপাশি আকাশের যাবতীয় খেলাধুলা সবই বন্ধ রয়েছে।এদিকে চিকিৎসকের পরামর্শ মতো লিগামেন্টের অপারেশন করানোর প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।সেই মতো বুধবার সকালে আকাশকে বর্ধমানে একটি হাসপাতালে ভরতি করা হয়।এদিকে, এই অপারেশনের জন্য সবমিলিয়ে প্রায় লাখ টাকার মতো খরচ হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।কিন্তু, টোটো চালিয়ে এতগুলো টাকা কীভাবে জোগার করা সম্ভব সেই নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় পড়েছেন মাধব বিশ্বাস।দাঁইহাট (এস আর) ফুটবল আকাদেমির সম্পাদক লাল্টু রায় বলেন, আকাশ আমাদের টিমের একজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রতিভাবান ফুটবলার।তাঁর পায়ের লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়ায় তাঁকে নিঃসন্দেহে সংকটের মধ্যে পড়তে হয়েছে এবং চিকিৎসার জন্য প্রায় লাখ টাকার মতো খরচ হবে।আমাদের আকাদেমির সদস্য সহ বিভিন্ন শুভানুধ্যায়ীদের আন্তরিক সহযোগিতায় ইতিমধ্যে আমরা অল্প কিছু টাকা সংগ্রহ করতে পেরেছি এবং যেটা দিয়ে ২৪ জুন বুধবার বর্ধমানের একটি হাসপাতালে আকাশকে ভরতি করা হয়েছে।আরও প্রায় ৭০ হাজার টাকা প্রয়োজন।সেটাও দ্রুত জোগার করতে হবে।আশা করছি, সুস্থ হয়ে ওঠার পর আকাশ ফের ময়দান দাপিয়ে ফুটবল খেলে সকলকে মুগ্ধ করতে পারবে।এদিন বর্ধমানে হাসপাতালে ভরতি হওয়ার পর আকাশ মোবাইল ফোনে বলেন, আমার চিকিৎসার জন্য আকাদেমির লাল্টু দা সহ অন্যান্যরা নানাভাবে সহয়োগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।আমার দৃঢ় বিশ্বাস, সকলের শুভেচ্ছায় সংকট কাটিয়ে আমি আবার মাঠে নামতে পারব।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Exit mobile version