Home Uncategorized জামাই ষষ্ঠীর আগে ইলিশের আগুন দাম, চিন্তায় মধ্যবিত্ত ক্রেতারা

জামাই ষষ্ঠীর আগে ইলিশের আগুন দাম, চিন্তায় মধ্যবিত্ত ক্রেতারা

0

নিজস্ব প্রতিনিধি : রাত পোহালেই বাঙালির অন্যতম জনপ্রিয় উৎসব জামাই ষষ্ঠী। আর এই বিশেষ দিনে জামাইয়ের পাতে ইলিশ না হলে যেন উৎসবই অসম্পূর্ণ। কিন্তু এবছর জামাই ষষ্ঠীর আগে ইলিশের চড়া দাম মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে সাধারণ মানুষের কাছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবারের নগেন্দ্রপুর মাছ বাজারে ইলিশের জোগান বাড়লেও দাম এখনও সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে।

মৎস্যজীবী সংগঠনের দাবি, গতকাল নগেন্দ্রপুর মাছ বাজারে প্রায় ১৫ টন ইলিশ মাছ এসেছে। সমুদ্র থেকে আরও একাধিক ট্রলার উপকূলে ফিরছে। ফলে জামাই ষষ্ঠীর দিন বাজারে ইলিশের সরবরাহ আরও বাড়বে বলে আশাবাদী মৎস্যজীবীরা। বাজারে বিভিন্ন আকারের ইলিশের দেখা মিললেও দাম শুনে অনেকেই পিছিয়ে যাচ্ছেন।

বর্তমানে ৫০০ থেকে ৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১,২০০ টাকার কাছাকাছি। অন্যদিকে এক কেজি বা তার বেশি ওজনের বড় ইলিশের দাম পৌঁছে গিয়েছে ১,৮০০ থেকে ২,০০০ টাকা প্রতি কেজিতে। ফলে উৎসবের বাজারে ইলিশ কিনতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে মধ্যবিত্ত পরিবারগুলিকে।

সুন্দরবন উপকূলের মৎস্যজীবীরা জানিয়েছেন, গত কয়েকদিন ধরে সমুদ্র উত্তাল থাকায় ট্রলারগুলিতে প্রত্যাশিত পরিমাণে ইলিশ ধরা পড়ছে না। অনেক ট্রলারে মাত্র এক থেকে দুই ক্যারেট ইলিশ উঠছে। ফলে বাজারে মাছের সরবরাহ চাহিদার তুলনায় কম থাকায় দামও ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। যদিও ইলিশের পাশাপাশি ভোলা, নিহারি-সহ অন্যান্য সামুদ্রিক মাছ প্রচুর পরিমাণে ধরা পড়ছে, তবুও জামাই ষষ্ঠীর বাজারে ইলিশের চাহিদা সবচেয়ে বেশি।

বাজারে মাছ কিনতে আসা এক ক্রেতার কথায়, “জামাই ষষ্ঠীতে ইলিশ কিনতেই হয়। কিন্তু এবছর ছোট মাছ কিনতেও অনেক বেশি টাকা খরচ হচ্ছে।” অন্যদিকে এক মৎস্যজীবীর বক্তব্য, “সমুদ্রের প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে ইলিশ কম ধরা পড়ছে। তাই দাম কিছুটা বেশি। তবে আরও ট্রলার ফিরলে জোগান বাড়তে পারে।”

জামাই ষষ্ঠীর প্রাক্কালে ইলিশের এই চড়া দাম সাধারণ মানুষের উৎসবের আনন্দে কিছুটা হলেও ভাঁটা ফেলেছে। এখন সকলের নজর বাজারে বাড়তি জোগানের দিকে, যাতে শেষ মুহূর্তে দামে কিছুটা স্বস্তি মেলে।।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Exit mobile version