দীপংকর মান্না:রিমঝিম বৃষ্টি।মনোরম পরিবেশ।ঘরে ঘরে সন্ধ্যার শঙ্খধ্বনি।এরই মাঝে ঐতিহাসিক আমতার খোড়প গ্ৰামের ‘গাঁটছড়া ভবনে’ ব্যবসায়িক মিলন সন্ধ্যা।১২ তম বাৎসরিক মিলনে উদ্বোধন সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী স্মিতা রং দাস। ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হরেকৃষ্ণ কোলে স্বাগত ভাষণে সকল ব্যবসায়ীদের একসাথে চলার আহ্বান জানান। সম্পাদক বনমালী পাত্র
ঐতিহাসিক খোড়প গ্ৰামের পেক্ষাপট বিশ্লেষণ করে বলেন-ফিঞেরাজ এর ঢিবি, জমিদার বসু বাড়ি ও শ্মশান কালী মাতার মন্দির প্রাচীনতার সাক্ষী বহন করে।আজও নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু র স্মৃতিমাখা বসু বাড়ি নিদর্শন স্থান। বনমালীবাবু বলেন বসু বাড়ির মাখন গোপাল বসুর সাথে বিবাহ হয় স্বামী বিবেকানন্দের দিদি যোগীন্দ্রবালার সাথে। যোগীন্দ্রবালার আকস্মিক মৃত্যুতে মাখনগোপাল বিবাহ করেন বিবেকানন্দের অপর এক দিদি হারানীবালা বা ইন্দুবালাকে। জনশ্রুতি আছে ছেলেবেলায় বিবেকানন্দ নাকি দু’বার দিদির বাড়ি বেড়াতে এসেছিলেন। সুতরাং এই গ্ৰামে আছে পর্যন্ত ব্যবসায়ী পরিবেশ। চাই শুধু ভালো মনের ব্যবসা করার সদিচ্ছা।ব্যবসার বিভিন্ন গঠনমূলক দিক নিয়ে আলোকপাত করেন সমিতির ডাঃ অনুপ কুমার জানা, তপন আদক, প্রশান্ত অধিকারী প্রমুখ। প্রশ্ন ওঠে ছোট এক টাকার সমস্যা ও বিকল্প ভাবনা।আমতা থানার শুভেচ্ছা বার্তা ব্যবসায়িক এলাকায় চাই আরও বেশি বেশি করে সিসি ক্যামেরা প্রতিস্থাপন।মিলন সন্ধ্যার আকর্ষণ বৃদ্ধি করে দুই নৃত্য শিল্পী রিদ্ধিকা কোলে ও দেবাশ্রিতা দাসের অপূর্ব নৃত্য। শিল্পীদের শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানান মহিলা ব্যবসায়ী রসিদা বিবি।
