দেবাশিস রায়, পূর্ব বর্ধমান: ওয়ার্ল্ড ওপেন ওয়াটার স্যুইমিংয়ে ঐতিহ্যবাহী ‘সপ্তসিন্ধু’র অন্যতম ‘দ্য স্ট্রেইট অব সুগারু’ অভিযান সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সায়নী দাস আগামী ২৮ জুন জাপানের উদ্দেশে রওনা হচ্ছেন।বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক এই চ্যানেলটি সাঁতরে অতিক্রম করতে পারলেই সায়নী ‘সপ্তসিন্ধু’ জয়ের শিরোপা লাভ করবেন।অবশ্য ইতিমধ্যেই তিনি এশিয়ার প্রথম মহিলা সাঁতারু রূপে ‘সপ্তসিন্ধু’র ছয়টি চ্যানেল জয়লাভের বিরল কৃতিত্ব অর্জন করেছেন।এবার সাফল্যের চূড়া ছোঁয়ার অপেক্ষা।পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনা শহরের এক সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা তরুণী সায়নী দাস ওপেন ওয়াটার স্যুইমিংয়ে বিশ্ববাসীর নজর কেড়ে নিয়েছেন।‘ইংলিশ চ্যানেল’ অভিযান দিয়ে শুরুটা হয়েছিল।তারপর সাফল্যের সঙ্গে আরও পাঁচটি চ্যানেল অতিক্রম করার পর এবার জাপানের ‘দ্য স্ট্রেইট অব সুগারু’ জয়লাভের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে রয়েছেন দেশের গর্ব সায়নী দাস।আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতি অনুযায়ী জুলাইয়ের প্রথমেই জাপানের উত্তাল সমুদ্রের উথালপাথাল এই চ্যানেল অভিযান সম্পন্ন করে সায়নীর ৯ জুলাই কলকাতায় ফিরে আসার পরিকল্পনা রয়েছে।তবে, জাপান রওনা হওয়ার আগেভাগেই রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী ডাঃ ইন্দ্রনীল খাঁ এই ‘সুগারু’ অভিযানের সাফল্য কামনা করে সায়নীকে একরাশ শুভেচ্ছা জানালেন।বুধবার ক্রীড়ামন্ত্রী কলকাতায় সেক্রেটারিয়েট বিল্ডিংয়ে তাঁর নিজস্ব দপ্তরে সায়নী দাসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।সেসময় সায়নীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তাঁর পিতা রাধেশ্যাম দাস এবং কোচ তমাল দাস।ক্রীড়ামন্ত্রী এদিন অত্যন্ত আগ্রহ সহকারে সায়নীর দুঃসাহসী লড়াইযের কথা, ইংলিশ চ্যানেল সহ প্রতিটি অভিযানের কথা শোনেন এবং একইসঙ্গে এরাজ্যে অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টসের প্রসার কীভাবে বাড়ানো যায় সেই প্রসঙ্গেও তাঁর সঙ্গে কিছু কিছু আলোচনা হয়।সায়নী বলেন, এই প্রথমবার কোনও ক্রীড়ামন্ত্রীকে দেখলাম যিনি সাঁতার সহ অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টস নিয়ে আমার সঙ্গে উৎসাহের সঙ্গে আলোচনা করলেন।এটা দেখে আমার খুবই ভালো লাগল এবং আমি বেশ খানিকটা আশাবাদীও।
