Home Uncategorized ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালের নতুন দিশা

ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালের নতুন দিশা

0
filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; module: video;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: null;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;HdrStatus: off;albedo: ;confidence: ;motionLevel: -1;weatherinfo: null;temperature: 36;

সুভাষ চন্দ্র দাশ, ক্যানিং : কলকাতার কোন সরকারী কিংবা নাম করা বেসরকারী হাসপাতাল নয়। এই প্রথম সুন্দরবনের ক্যানিং মহকুমা হাসপাতাল একই দিনে তিনটি অর্থোপেডিক অপারেশান করে দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করলো। ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে অস্থি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাঃ কার্ত্তিক নসিপূরী ও অন্যান্যদের সহযোগিতায় সোমবার তিনজন রোগীর হাঁটু ও হাতের কব্জি জোড়া লাগানোর জন্য বসানো হল প্লেট। মাতলা ২ পঞ্চায়েতের খাসকুমড়ো খালির মায়া নাইয়া ও মনিরুল লস্কর। কুলতলির মেরীগঞ্জ ১ পঞ্চায়েতের বাবলু খাঁন। তিনজনই দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিলেন। মায়া দেবীর হাতের কব্জি ও অপর দুজনের হাঁটুর মালাইচাকির সমস্যা হয়েছিল। চিকিৎসার জন্য ভর্তি হয়েছিলেন ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে। রোগীদের কলকাতার হাসপাতালে স্থানান্তরিত না করেই চিকিৎসা চলছিল। সোমবার তিনজনেরই অস্ত্রপ্রোচার করা হয় ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে। 

উল্লেখ্য  হাঁটুতে মালাইচাকি ভেঙে গেলে সেটাকে জোড়া লাগানোর জন্য স্টিলের তার আর সরু রড দিয়ে বেঁধে দেওয়া হয়। একে বলে টেনশন ব্যান্ড ওয়ারিং বা টি-বি-ডব্লিউ প্যাটেলা।

আবার হাতের কব্জির ক্ষেত্রে যে অপারেশন করা হয়েছে,তাকে বলে ও-আর-আই-এফ  (ORIF) অর্থাৎ ওপেন রিডাকশন ইন্টার্নাল ফিক্সেশন। এক্ষেত্রে হার ২ বা তার বেশি টুকরো হয়ে গেলে স্টিল বা টাইটেনিয়াম প্লেট এবং স্ক্রু দিয়ে তাদের সেট করার পরে জোড়া লাগানো হয়।

উল্লেখ্য ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালের জন্মলগ্ন থেকে এমন অপারেশান আজ অবধি হয়নি। সীমিত পরিকাঠামো নিয়ে প্রথমেই এমন ভাবে সাফল্য আসায় খুশি হাসপাতালের চিকিৎসক মহল। 

এমন ঘটনা প্রসঙ্গে ডাঃ কার্ত্তিক নসিপূরী জানিয়েছেন, “এমনিতে ও-আর-আই-এফ এবং টি-বি-ডব্লিউ অপারেশান খুব একটা কঠিন ব্যাপার না হলেও আমাদের ক্যানিং হসপিটালের খুবই সীমিত পরিকাঠামোর মধ্যে এই অপারেশন করা যথেষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ। আমাদের সকলের মিলিত প্রচেষ্টায় সেটা সফল হওয়ায় আমরা অত্যন্ত খুশি।”

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Exit mobile version