Home Uncategorized শিল্প ও সংস্কৃতির রঙে ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-এর বার্তা: গঙ্গাসাগরে কপিল মুনির আশ্রমের...

শিল্প ও সংস্কৃতির রঙে ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-এর বার্তা: গঙ্গাসাগরে কপিল মুনির আশ্রমের সামনে অসামান্য মানব আলপনা ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ

0

সৌরভ নস্কর, গঙ্গাসাগর : দেশকে এক উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার স্বপ্ন নিয়ে ভারত সরকারের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭ এর বার্তা এবার সাধারণ মানুষের হৃদয়ে পৌঁছে দিতে অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হলো দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায়।রাজ্যজুড়ে যখন এই কর্মসূচির আলোয় নানা অনুষ্ঠান পালিত হচ্ছে, ঠিক তখনই বঙ্গোপসাগরের কোলঘেঁষা গঙ্গাসাগরের ঐতিহ্যবাহী কপিল মুনির আশ্রমের প্রাঙ্গণে ফুটিয়ে তোলা হলো এক বিশাল ও আকর্ষক মানব আলপনা। শিল্প ও সংস্কৃতির নান্দনিক ছোঁয়ায় জনসেবা ও জনকল্যাণের এই বার্তা ছড়িয়ে দিতে সাগর ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই বিশেষ আয়োজন করা হয়। ​এদিন কপিল মুনির আশ্রমের সামনে সাজসাজ রব পড়ে যায়। স্থানীয় ব্লক প্রশাসনের একাধিক শীর্ষ আধিকারিক এবং বিশিষ্ট জনপ্রতিনিধিরা এই মহৎ উদ্যোগে সরাসরি অংশ নেন। রঙ, তুলি আর সৃজনশীলতার মেলবন্ধনে ফুটিয়ে তোলা হয় দেশের ভবিষ্যৎ অগ্রগতির রূপরেখা ও জনকল্যাণের বিভিন্ন দিক। শুধু প্রশাসনিক আধিকারিক বা কর্মীরাই নন, এই অনুষ্ঠানে সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিল দেশ-বিদেশ তথা দূরদূরান্ত থেকে কপিল মুনির আশ্রমে আসা অসংখ্য পুণ্যার্থী ও সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি। আশ্রমে আগত বহু পুণ্যার্থী থমকে দাঁড়িয়ে এই বিশাল শিল্পকর্মের সৃষ্টি প্রক্রিয়া উপভোগ করেন এবং এই অভিনব প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেন। ​প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কেবলমাত্র প্রশাসনিক প্রচারের গণ্ডি পেরিয়ে শিল্প ও সংস্কৃতির শক্তিশালী মাধ্যমকে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে দেশের উন্নয়নের মূল স্রোতে সম্পৃক্ত করাই ছিল এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।আলপনার রঙে রাঙা এই জনকল্যাণের বার্তা উপস্থিত প্রতিটি মানুষের মনে গভীর দাগ কেটেছে। গঙ্গাসাগরের পবিত্র মাটিতে এই ধরনের সৃজনশীল প্রয়াস আগামী দিনে দেশের উন্নয়নের সঙ্কল্পকে আরও বেশি গতিশীল করবে বলেই মনে করছেন বিশিষ্টজনেরা।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Exit mobile version